০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬১৯

টেকনাফ উপজেলা-এর বাহারছড়া ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উত্তর শীলখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন রুহুল আমিনের ছেলে রবি আলম, নুরুল কবিরের ছেলে মুজিব উল্লাহ এবং নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল বশর (হালানি)। তারা সবাই বাহারছড়া শীলখালী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত তিনজন চিহ্নিত ডাকাত ও মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।
টেকনাফ মডেল থানা-এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণ ও মানবপাচার সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নিহতদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও মানবপাচারের অভিযোগ থাকলেও সেগুলো এখনও নিশ্চিত নয়।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন বলেন, মরদেহগুলোর শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটি অপহরণ ও মানবপাচার সংশ্লিষ্ট বিরোধের জেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত রবিউল আউয়ালের বাবা রুহুল আমিন জানান, রাতে মুজিব তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায়। সকালে পাহাড়ে মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান।
এদিকে স্থানীয় এক কাঠুরিয়া নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র চক্র সক্রিয় রয়েছে। মাঝেমধ্যে চিৎকার ও সংঘর্ষের শব্দ শোনা যায় বলে এলাকাবাসী আতঙ্কে থাকে।

স্থানীয়দের দাবি, বাহারছড়ার পাহাড়ি অঞ্চলে অপহরণ ও মানবপাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। এতে অন্তত কয়েক হাজার মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছে।
টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটিকে অপহরণ ও মানবপাচার সংশ্লিষ্ট বিরোধ হিসেবে সন্দেহ করে তদন্ত চালাচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার,

আপডেট: ০১:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফ উপজেলা-এর বাহারছড়া ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উত্তর শীলখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন রুহুল আমিনের ছেলে রবি আলম, নুরুল কবিরের ছেলে মুজিব উল্লাহ এবং নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল বশর (হালানি)। তারা সবাই বাহারছড়া শীলখালী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত তিনজন চিহ্নিত ডাকাত ও মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।
টেকনাফ মডেল থানা-এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অপহরণ ও মানবপাচার সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নিহতদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও মানবপাচারের অভিযোগ থাকলেও সেগুলো এখনও নিশ্চিত নয়।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন বলেন, মরদেহগুলোর শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটি অপহরণ ও মানবপাচার সংশ্লিষ্ট বিরোধের জেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত রবিউল আউয়ালের বাবা রুহুল আমিন জানান, রাতে মুজিব তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায়। সকালে পাহাড়ে মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান।
এদিকে স্থানীয় এক কাঠুরিয়া নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র চক্র সক্রিয় রয়েছে। মাঝেমধ্যে চিৎকার ও সংঘর্ষের শব্দ শোনা যায় বলে এলাকাবাসী আতঙ্কে থাকে।

স্থানীয়দের দাবি, বাহারছড়ার পাহাড়ি অঞ্চলে অপহরণ ও মানবপাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। এতে অন্তত কয়েক হাজার মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছে।
টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটিকে অপহরণ ও মানবপাচার সংশ্লিষ্ট বিরোধ হিসেবে সন্দেহ করে তদন্ত চালাচ্ছে।