০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাতসকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬০২

সাতসকালে মাঝারি মাত্রার এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দেশ। ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পের মৃদু কম্পন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়েছে।
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা Earthquake Track-এর তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকায়, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। জানা গেছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার গভীরে ছিল। গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় এর তীব্রতা কিছুটা কমে গিয়ে ভূপৃষ্ঠে মৃদু কম্পন হিসেবে অনুভূত হয়।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হালকা কম্পন অনুভূত হওয়ার কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশ সরাসরি বড় কোনো চ্যুতিরেখার ওপর অবস্থিত না হলেও মিয়ানমার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সক্রিয় টেকটনিক প্লেটের নিকটবর্তী হওয়ায় প্রায়ই এসব অঞ্চলের ভূমিকম্পের প্রভাব দেশে অনুভূত হয়।

এদিকে, সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

সাতসকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

আপডেট: ০৮:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সাতসকালে মাঝারি মাত্রার এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দেশ। ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পের মৃদু কম্পন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়েছে।
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা Earthquake Track-এর তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকায়, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। জানা গেছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার গভীরে ছিল। গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় এর তীব্রতা কিছুটা কমে গিয়ে ভূপৃষ্ঠে মৃদু কম্পন হিসেবে অনুভূত হয়।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হালকা কম্পন অনুভূত হওয়ার কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশ সরাসরি বড় কোনো চ্যুতিরেখার ওপর অবস্থিত না হলেও মিয়ানমার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সক্রিয় টেকটনিক প্লেটের নিকটবর্তী হওয়ায় প্রায়ই এসব অঞ্চলের ভূমিকম্পের প্রভাব দেশে অনুভূত হয়।

এদিকে, সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।