১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস পদ্মা নদীতে: ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ৬১৩

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অসুস্থ অবস্থায় একজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সোয়া ৯টার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন দিয়ে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি বাস ফেরিতে উঠছিল। এসময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সরাসরি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। তবে বাসটি পানিতে পড়ার সাথে সাথেই বেশ কয়েকজন জানালা ও দরজা দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান শুরু করে। বর্তমানে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কাজ করছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস পদ্মা নদীতে: ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ১০:০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া অসুস্থ অবস্থায় একজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সোয়া ৯টার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন দিয়ে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি বাস ফেরিতে উঠছিল। এসময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সরাসরি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। তবে বাসটি পানিতে পড়ার সাথে সাথেই বেশ কয়েকজন জানালা ও দরজা দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান শুরু করে। বর্তমানে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কাজ করছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।