যশোর যশোর শহরের আরএন রোডে অবস্থিত ‘ক্যাফে নুর’ হোটেলের পচা ও নিম্নমানের বিরিয়ানি খেয়ে অন্তত ৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষাক্ত খাবার বিক্রির অভিযোগে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা হোটেলে গিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বাধ্য হয়ে বিরিয়ানির টাকা ফেরত দেয় হোটেল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর নালিয়া এলাকার একদল বন্ধু ও সহকর্মী আড্ডার আয়োজন করেন। রাত ১০টার দিকে তারা ক্যাফে নুর হোটেল থেকে ২৪ প্যাকেট মুরগি ও খাসির বিরিয়ানি কিনে নিয়ে যান। বাড়িতে গিয়ে খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই কয়েকজনের পেটে তীব্র ব্যথা ও বমি শুরু হয়। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় আয়োজকরা রাতেই বিরিয়ানির প্যাকেট নিয়ে হোটেলে ফিরে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা হোটেলের মালিক বকুলকে ওই বিরিয়ানি খেতে বললে তিনি নিজেই খাবারটি নষ্ট বলে স্বীকার করেন। উত্তেজিত জনতার চাপের মুখে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং বিরিয়ানির সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দিতে বাধ্য হন।
ভুক্তভোগী মনির হোসেন ও ইসমাইল হোসেন জানান, “খাবার কেনার সময় হোটেলের কর্মচারীরা আমাদের সাথে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেছিল। সেই খাবার খেয়ে আমাদের বমি ও গলায় প্রচণ্ড অস্বস্তি শুরু হয়।” তারা জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় এই হোটেলের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে হোটেলের মালিক বকুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন যে, ক্যাফে নুর হোটেলের খাবার নিয়ে প্রায়ই গ্রাহকরা অভিযোগ করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ক্রেতাদের সাথে নিয়মিত অশোভন আচরণের অভিযোগও রয়েছে।




















