০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

আইএমএফ প্রতিনিধির সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:২৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৮

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়
বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আইএমএফ-এর ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন আইএমএফ প্রতিনিধি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইএমএফ-এর অব্যাহত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপস্থিত ছিলেন যারা
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেশের উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকগণ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
* আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী।
* রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা।
* ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ সচিব।
ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে আজই ছিল সরকারি দপ্তরের প্রথম কার্যদিবস। এদিন সকাল ৯টাতেই সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং যথাসময়ে কাজে যোগ দেন। দপ্তরে পৌঁছেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ ও উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অংশ নেন।

এদিকে, আইএমএফ-এর সাথে বৈঠকের পাশাপাশি দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো স্থায়ী সংকট নেই।
মন্ত্রী বলেন, “ঈদের ছুটির পর পরিবহন ও কৃষি খাতে তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় কিছু কিছু স্থানে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। ক্রেতাদের অতিরিক্ত তেল মজুতের প্রবণতা বা ‘প্যানিক বায়িং’-এর কারণেও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটছে।” তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং নতুন চালানের জাহাজগুলো বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় আছে। শীঘ্রই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সর্বাধিক পঠিত

অসুস্থ নেতাকে দেখতে হাসপাতালে আতিকুজ্জামান সনি,

আইএমএফ প্রতিনিধির সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

আপডেট: ১২:২৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়
বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আইএমএফ-এর ঋণ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন আইএমএফ প্রতিনিধি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইএমএফ-এর অব্যাহত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপস্থিত ছিলেন যারা
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেশের উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকগণ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
* আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী।
* রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা।
* ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থ সচিব।
ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে আজই ছিল সরকারি দপ্তরের প্রথম কার্যদিবস। এদিন সকাল ৯টাতেই সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং যথাসময়ে কাজে যোগ দেন। দপ্তরে পৌঁছেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ ও উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অংশ নেন।

এদিকে, আইএমএফ-এর সাথে বৈঠকের পাশাপাশি দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো স্থায়ী সংকট নেই।
মন্ত্রী বলেন, “ঈদের ছুটির পর পরিবহন ও কৃষি খাতে তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় কিছু কিছু স্থানে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে। ক্রেতাদের অতিরিক্ত তেল মজুতের প্রবণতা বা ‘প্যানিক বায়িং’-এর কারণেও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটছে।” তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং নতুন চালানের জাহাজগুলো বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় আছে। শীঘ্রই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।