০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • ৫৮১

ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগে যশোরে দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দিয়েছেন এক নারী। সোমবার সন্ধায় যশোর শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক মোড় এলাকার মৃত শফি মিয়ার মেয়ে শরীফ আক্তার পিয়া অভিযোগ দিয়েছেন। দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, যশোর সিআইডির এসআই ফকরুল ইসলাম শহরের পুরাতনকসবা ফাঁড়ির এসআই আনিছুর রহমান।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, যশোর শহরের পুরাতনকসবা শহিদ মশিউর রহমান সড়কের বাসিন্দা মাসুম হোসেন সিদ্দিকীর সাথে তার বিয়ে হয়েছিল। বনিবনা না হওয়ায় ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর তিনি মাসুম হোসেন সিদ্দিকীকে তালাক দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুম সিদ্দিকী ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর শরিফা আক্তার পিয়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালতের আদেশে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় যশোরের সিআইডি পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এসআই ফকরুল ইসলাম মামলার বাদীর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ আমার কাছ থেকে দাবিকৃত টাকা না পেয়ে তদন্ত রিপোর্টে আমাদের অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। এসআই ফকরুল ইসলাম তার মাসিক বেতনের অধিক টাকা দিয়ে শহরের পুরতানকসবা এলাকায় ভাড়া থাকেন। তার নামে বেনামে বহু সম্পদ আছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

মামলার বাদী গত ২৯ এপ্রিল কোতয়ালি থানায় আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। জিডি তদন্তের দায়িত্ব পান পুরাতনকসবা ফাঁড়ির এসআই আনিছুর রহমান। তদন্তকারী কর্মকর্তা শরীফ আক্তার পিয়াকে ডেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে রিপোর্ট তাদের পক্ষে দিবে বলে প্রস্তাব দেন। ঘুষের টাকা না দেয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা পিয়ার ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। উভয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির এসব অভিযোগের তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সর্বাধিক পঠিত

সংরক্ষিত নারী আসনে যশোর থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সাবিরা সুলতানা মুন্নী

যশোরে দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

আপডেট: ০২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগে যশোরে দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দিয়েছেন এক নারী। সোমবার সন্ধায় যশোর শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক মোড় এলাকার মৃত শফি মিয়ার মেয়ে শরীফ আক্তার পিয়া অভিযোগ দিয়েছেন। দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, যশোর সিআইডির এসআই ফকরুল ইসলাম শহরের পুরাতনকসবা ফাঁড়ির এসআই আনিছুর রহমান।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, যশোর শহরের পুরাতনকসবা শহিদ মশিউর রহমান সড়কের বাসিন্দা মাসুম হোসেন সিদ্দিকীর সাথে তার বিয়ে হয়েছিল। বনিবনা না হওয়ায় ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর তিনি মাসুম হোসেন সিদ্দিকীকে তালাক দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুম সিদ্দিকী ২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর শরিফা আক্তার পিয়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালতের আদেশে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় যশোরের সিআইডি পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এসআই ফকরুল ইসলাম মামলার বাদীর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ আমার কাছ থেকে দাবিকৃত টাকা না পেয়ে তদন্ত রিপোর্টে আমাদের অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। এসআই ফকরুল ইসলাম তার মাসিক বেতনের অধিক টাকা দিয়ে শহরের পুরতানকসবা এলাকায় ভাড়া থাকেন। তার নামে বেনামে বহু সম্পদ আছে বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

মামলার বাদী গত ২৯ এপ্রিল কোতয়ালি থানায় আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। জিডি তদন্তের দায়িত্ব পান পুরাতনকসবা ফাঁড়ির এসআই আনিছুর রহমান। তদন্তকারী কর্মকর্তা শরীফ আক্তার পিয়াকে ডেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে রিপোর্ট তাদের পক্ষে দিবে বলে প্রস্তাব দেন। ঘুষের টাকা না দেয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা পিয়ার ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। উভয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির এসব অভিযোগের তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।