ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত এক নতুন ও ভয়াবহ মোড় নিতে যাচ্ছে। এই প্রথমবারের মতো ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি স্থলযুদ্ধে অংশ নিতে আড়াই হাজার মার্কিন মেরিন সেনার একটি শক্তিশালী দল মোতায়েন করছে ওয়াশিংটন।
প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা ইতিমধ্যে রণক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। তাদের বহনকারী উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ বর্তমানে যাত্রাপথে রয়েছে। এই বিশেষ যুদ্ধজাহাজ থেকেই মেরিন সেনারা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে অবতরণ করবেন এবং প্রয়োজনে ইরানের নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মিশনে অংশ নেবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মেরিন সেনারাই হতে যাচ্ছেন ইরান যুদ্ধে সরাসরি মোতায়েন হওয়া প্রথম মার্কিন স্থলসেনা। এর মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে তাদের সামরিক শক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি করছে। মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ করার পরিবর্তে একটি দীর্ঘমেয়াদী সামরিক পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। এর পরপরই ইরান তীব্র পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। তেহরান বর্তমানে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহর ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে উপর্যুপরি হামলা চালাচ্ছে।
বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতিরোধ ব্যবস্থা বেশ শক্তিশালী এবং ‘অতিপ্রতিরোধ্য’ হিসেবে প্রতীয়মান হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই বিপুল সংখ্যক মেরিন সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেন্টাগন।





















