০৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে মহাশ্মশানে দুঃসাহসিক চুরি: স্টোর রুমের তালা ভেঙে পূজাসরঞ্জাম লুট

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৭

যশোর সদর উপজেলার কুয়াদা বাতানবাড়ী আঞ্চলিক মহাশ্মশানে এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে শ্মশানের স্টোর রুমের তালা ভেঙে মূল্যবান পিতল ও কাঁসার সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এমন চুরির ঘটনায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।?
শ্মশান কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে চোরচক্র স্টোর রুমের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা মন্দির ও শ্মশানে ব্যবহৃত প্রায় সব মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেয়। লুট হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে:
* বিশালাকার পিতলের ঘণ্টা ও প্রদীপ পঞ্চ।
* পিতলের গেলি, বাবুল বাটি ও কাঁসার বাটি।
* শঙ্খ, বালতি এবং বড় সাইজের ডেক-কড়াই।
কমিটির দাবি, চুরি হওয়া এসব সরঞ্জামের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুয়াদা এলাকায় বর্তমানে তাড়ঁি, গাঁজা ও ইয়াবার মতো মরণনেশা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদকাসক্তরা নেশার টাকার জোগান দিতেই এখন ধর্মীয় উপাসনালয়ে হানা দিচ্ছে। দ্রুত মাদক নির্মূল করা না গেলে সামাজিক নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ ও কমিটির বক্তব্য
খবর পেয়ে শুক্রবার কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই আশরাফ ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় শ্মশান কমিটির সভাপতি রাম পাল ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শ্মশান কমিটির সভাপতি রাম পাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
> “ধর্মীয় উপাসনালয়ে চুরির দুঃসাহস যারা দেখিয়েছে, তারা ক্ষমার অযোগ্য। আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি—অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার এবং এলাকার মাদকের আখড়াগুলো গুঁড়িয়ে দিতে হবে।”
>
পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে শার্শায় বিএনপির বিশাল প্রচার মিছিল

যশোরে মহাশ্মশানে দুঃসাহসিক চুরি: স্টোর রুমের তালা ভেঙে পূজাসরঞ্জাম লুট

আপডেট: ০১:১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার কুয়াদা বাতানবাড়ী আঞ্চলিক মহাশ্মশানে এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে শ্মশানের স্টোর রুমের তালা ভেঙে মূল্যবান পিতল ও কাঁসার সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এমন চুরির ঘটনায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।?
শ্মশান কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে চোরচক্র স্টোর রুমের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা মন্দির ও শ্মশানে ব্যবহৃত প্রায় সব মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেয়। লুট হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে:
* বিশালাকার পিতলের ঘণ্টা ও প্রদীপ পঞ্চ।
* পিতলের গেলি, বাবুল বাটি ও কাঁসার বাটি।
* শঙ্খ, বালতি এবং বড় সাইজের ডেক-কড়াই।
কমিটির দাবি, চুরি হওয়া এসব সরঞ্জামের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুয়াদা এলাকায় বর্তমানে তাড়ঁি, গাঁজা ও ইয়াবার মতো মরণনেশা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদকাসক্তরা নেশার টাকার জোগান দিতেই এখন ধর্মীয় উপাসনালয়ে হানা দিচ্ছে। দ্রুত মাদক নির্মূল করা না গেলে সামাজিক নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ ও কমিটির বক্তব্য
খবর পেয়ে শুক্রবার কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই আশরাফ ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় শ্মশান কমিটির সভাপতি রাম পাল ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শ্মশান কমিটির সভাপতি রাম পাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
> “ধর্মীয় উপাসনালয়ে চুরির দুঃসাহস যারা দেখিয়েছে, তারা ক্ষমার অযোগ্য। আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি—অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার এবং এলাকার মাদকের আখড়াগুলো গুঁড়িয়ে দিতে হবে।”
>
পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।