০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৬২৪

জামালপুরে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই জামালপুর সদর উপজেলার পাকুল্যা মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন:
১. মো. ফারুক হোসেন (পিতা: আজিজুল হক)
২. মুনছুর আলী (পিতা: আলী আকবর)
৩. ফেরদৌস হোসেন (পিতা: শফিকুল ইসলাম)
আদালত সূত্র জানায়, অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একই এলাকার জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই রাতে এক মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হন ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার স্বামী। সদর উপজেলার মেছেরচোরা মোড়ে একটি ডিমের আড়তের পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়েছিলেন তারা।
সে সময় একদল লোক তাদের পথরোধ করে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে। এরপর ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ ও রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিক্রিয়া
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
> “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৭ ধারা অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই কঠোর দণ্ড প্রদান করেছেন।”
>
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী নারীর পরিবার জানিয়েছে, তারা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট: ০৩:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জামালপুরে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই জামালপুর সদর উপজেলার পাকুল্যা মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন:
১. মো. ফারুক হোসেন (পিতা: আজিজুল হক)
২. মুনছুর আলী (পিতা: আলী আকবর)
৩. ফেরদৌস হোসেন (পিতা: শফিকুল ইসলাম)
আদালত সূত্র জানায়, অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একই এলাকার জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই রাতে এক মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হন ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার স্বামী। সদর উপজেলার মেছেরচোরা মোড়ে একটি ডিমের আড়তের পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়েছিলেন তারা।
সে সময় একদল লোক তাদের পথরোধ করে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে। এরপর ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ ও রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিক্রিয়া
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
> “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৭ ধারা অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই কঠোর দণ্ড প্রদান করেছেন।”
>
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী নারীর পরিবার জানিয়েছে, তারা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যায়বিচার পেয়েছেন।