০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লাকসামে মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: তারাবির নামাজে থাকায় রক্ষা পেল অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৬২৩

কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভা এলাকায় একটি মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৯ মার্চ) রাতে পৌরসভার মিশ্রী এলাকায় অবস্থিত ‘লাকসাম ছালেহিয়া ওয়ালিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসা’য় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় শিক্ষার্থীরা মসজিদে তারাবির নামাজে থাকায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

মাদ্রাসার মুহতামিম মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, রাত সোয়া ৮টার দিকে রান্নাঘরের পাশের একটি কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন সিলিং বেয়ে দ্রুত পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাদ্রাসার প্রায় ১২৫ ফুট লম্বা টিনশেড ভবনটিতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা ছিল। আগুন লাগার সময় ৪৩ জন আবাসিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা পাশের মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করছিলেন। ফলে একটি বড় ধরনের নিশ্চিত প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ কবিরুল ইসলাম জানান:
* খবর পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
* প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের নিরলস চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মো. জাহিদুল মাওলা চৌধুরী হেলাল দাবি করেছেন, অগ্নিকাণ্ডে নতুন নির্মিত ভবনটির আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

লাকসামে মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: তারাবির নামাজে থাকায় রক্ষা পেল অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী

আপডেট: ১২:১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভা এলাকায় একটি মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৯ মার্চ) রাতে পৌরসভার মিশ্রী এলাকায় অবস্থিত ‘লাকসাম ছালেহিয়া ওয়ালিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসা’য় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় শিক্ষার্থীরা মসজিদে তারাবির নামাজে থাকায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

মাদ্রাসার মুহতামিম মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, রাত সোয়া ৮টার দিকে রান্নাঘরের পাশের একটি কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন সিলিং বেয়ে দ্রুত পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাদ্রাসার প্রায় ১২৫ ফুট লম্বা টিনশেড ভবনটিতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা ছিল। আগুন লাগার সময় ৪৩ জন আবাসিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা পাশের মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করছিলেন। ফলে একটি বড় ধরনের নিশ্চিত প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ কবিরুল ইসলাম জানান:
* খবর পাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
* প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের নিরলস চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মো. জাহিদুল মাওলা চৌধুরী হেলাল দাবি করেছেন, অগ্নিকাণ্ডে নতুন নির্মিত ভবনটির আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।