০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যশোরে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৩৫

লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে পাঁচ গ্রাহকের লগ্নিকৃত ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যানসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (তারিখটি উল্লেখ নেই) যশোর সদর আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলার সুজলপুর গ্রামের মৃত কাজী সৈয়দ আহমেদের ছেলে কাজী মুজিবুর রহমান।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার মণ্ডল মামলাটি গ্রহণ করে এর গুরুত্ব বিবেচনা করে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
🏛️ আসামিরা যারা:
মামলার আসামিরা হলেন:
* ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান (নাম উল্লেখ করা হয়নি)।
* বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ফকরুল ইসলাম।
* ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মোকাদ্দেস হোসেন।
* চিফ ফাইন্যান্স অফিসার সামসুদ্দিন।
🔎 অভিযোগে যা বলা হয়েছে:
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার প্রচারণা চালিয়ে গ্রাহকদের তাদের কাছে অর্থ বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করে। এর ফলে পাঁচজন গ্রাহক ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদে নিয়মিত কিস্তির মাধ্যমে মোট ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৯ টাকা জমা দেন।
এর মধ্যে মামলার বাদী কাজী মুজিবুর রহমান একাই ৭৮ হাজার ৫৮১ টাকা বিনিয়োগ করেন। সম্প্রতি তিনি যশোরের সুজলপুরে অবস্থিত কোম্পানির শাখা অফিসে গিয়ে নিজের বিনিয়োগের অগ্রগতি জানতে চাইলে দেখতে পান, অফিসে তালা ঝুলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভাড়া নেওয়া ঘর ছেড়ে উধাও হয়ে গেছেন।
ভুক্তভোগীরা মোবাইল ফোনে কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা প্রতারণামূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
📜 লিগ্যাল নোটিশ ও আইনি পদক্ষেপ:
এ ঘটনার পর, গত ৬ অক্টোবর কাজী মুজিবুর রহমানসহ ভুক্তভোগীরা আসামিদের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। কিন্তু আসামিদের কাছ থেকে কোনো উত্তর না পাওয়ায় এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অবশেষে তারা আদালতের দ্বারস্থ হন। ভুক্তভোগীদের দাবি, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে তাদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবার যাত্রীবাহী বাস পদ্মায়, চালক-সহকারী উদ্ধার

লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যশোরে মামলা

আপডেট: ০৯:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে পাঁচ গ্রাহকের লগ্নিকৃত ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যানসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (তারিখটি উল্লেখ নেই) যশোর সদর আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলার সুজলপুর গ্রামের মৃত কাজী সৈয়দ আহমেদের ছেলে কাজী মুজিবুর রহমান।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার মণ্ডল মামলাটি গ্রহণ করে এর গুরুত্ব বিবেচনা করে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
🏛️ আসামিরা যারা:
মামলার আসামিরা হলেন:
* ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান (নাম উল্লেখ করা হয়নি)।
* বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ফকরুল ইসলাম।
* ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মোকাদ্দেস হোসেন।
* চিফ ফাইন্যান্স অফিসার সামসুদ্দিন।
🔎 অভিযোগে যা বলা হয়েছে:
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার প্রচারণা চালিয়ে গ্রাহকদের তাদের কাছে অর্থ বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করে। এর ফলে পাঁচজন গ্রাহক ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদে নিয়মিত কিস্তির মাধ্যমে মোট ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৯ টাকা জমা দেন।
এর মধ্যে মামলার বাদী কাজী মুজিবুর রহমান একাই ৭৮ হাজার ৫৮১ টাকা বিনিয়োগ করেন। সম্প্রতি তিনি যশোরের সুজলপুরে অবস্থিত কোম্পানির শাখা অফিসে গিয়ে নিজের বিনিয়োগের অগ্রগতি জানতে চাইলে দেখতে পান, অফিসে তালা ঝুলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভাড়া নেওয়া ঘর ছেড়ে উধাও হয়ে গেছেন।
ভুক্তভোগীরা মোবাইল ফোনে কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা প্রতারণামূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
📜 লিগ্যাল নোটিশ ও আইনি পদক্ষেপ:
এ ঘটনার পর, গত ৬ অক্টোবর কাজী মুজিবুর রহমানসহ ভুক্তভোগীরা আসামিদের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। কিন্তু আসামিদের কাছ থেকে কোনো উত্তর না পাওয়ায় এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অবশেষে তারা আদালতের দ্বারস্থ হন। ভুক্তভোগীদের দাবি, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে তাদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।