০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

গুরুতর অভিযোগের পরও গুরুত্বপূর্ণ পদে মাহমুদুল হাসান, 

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৭

আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল হাসানকে ঘিরে রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রভাব খাটিয়ে পদায়ন, দুর্নীতি ও সম্পদ অর্জনসহ নানা গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রয়েছেন। তার স্ত্রী নূরুন আখতারকেও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, মাহমুদুল হাসান ও তার স্ত্রী নূরুন আখতারের অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা, বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন, পদায়ন এবং সম্পদের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগ রয়েছে, মাহমুদুল হাসান বিসিএস ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি অর্থ বিভাগসহ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইউনিসেফের ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট, রাজউকের পরিচালক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যুগ্ম সচিব, পানি সম্পদ খাতের বিভিন্ন দায়িত্ব, ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে অর্থনৈতিক মিনিস্টার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেছেন।

তাদের দাবি, কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ পদ ও দায়িত্ব পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এই প্রতিবেদনের কাছে নেই।

মাহমুদুল হাসান অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করতেন—এমন অভিযোগও করেছেন সমালোচকরা।

তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মন্তব্য করতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে বিভিন্ন বক্তব্য ও অডিও ছড়িয়ে পড়লেও সেগুলোর সত্যতা ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

মাহমুদুল হাসানের স্ত্রী নূরুন আখতারও বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং বর্তমানে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

তার নিয়োগ ও ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও পারিবারিক প্রভাব কাজ করেছে—এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য সরকারি নথি বা স্বাধীন তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীরা তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং কর্মজীবনের বিভিন্ন পদায়ন খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।

মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করা হতো।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, তৎকালীন মাঠ প্রশাসনের সদস্য কিংবা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে মাহমুদুল হাসান আর্থিক লেনদেন করেছেন।

এমনকি ৩০ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের পক্ষে কোনো আদালতের নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য প্রামাণ্য দলিল এই প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়নি।

তাই অভিযোগটি সত্য কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাহমুদুল হাসানের বিদেশে দায়িত্ব পালন এবং যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ অর্জন নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, জাতিসংঘে দায়িত্ব পালনের সময় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে তার পরিবারের নামে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি কেনা হয়েছে।

তবে ওই সম্পদের মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং বৈধতা সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্য নথি বা সরকারি তদন্তের তথ্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীরা মাহমুদুল হাসান ও তার পরিবারের দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদের উৎস, আয়কর নথি এবং ব্যাংক লেনদেন যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে আগের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের কেউ কেউ দায়িত্বে থাকলেও তাদের অতীত ভূমিকা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি।

তাদের দাবি, মাহমুদুল হাসান ও নূরুন আখতারের রাজনৈতিক ভূমিকা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, পদায়ন, সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সরকারি বিধি ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে মাহমুদুল হাসান ও নূরুন আখতারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সর্বাধিক পঠিত

এসএসসির ফলে যশোর বোর্ডে ফের অবনতি পাসের হার কমেছে ৭.৪২ শতাংশ; দুই বছরে জিপিএ-৫ কমেছে ৯ হাজার ২৮৩

গুরুতর অভিযোগের পরও গুরুত্বপূর্ণ পদে মাহমুদুল হাসান, 

আপডেট: ১০:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল হাসানকে ঘিরে রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রভাব খাটিয়ে পদায়ন, দুর্নীতি ও সম্পদ অর্জনসহ নানা গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রয়েছেন। তার স্ত্রী নূরুন আখতারকেও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, মাহমুদুল হাসান ও তার স্ত্রী নূরুন আখতারের অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা, বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন, পদায়ন এবং সম্পদের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগ রয়েছে, মাহমুদুল হাসান বিসিএস ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি অর্থ বিভাগসহ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইউনিসেফের ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট, রাজউকের পরিচালক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যুগ্ম সচিব, পানি সম্পদ খাতের বিভিন্ন দায়িত্ব, ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে অর্থনৈতিক মিনিস্টার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেছেন।

তাদের দাবি, কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ পদ ও দায়িত্ব পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এই প্রতিবেদনের কাছে নেই।

মাহমুদুল হাসান অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করতেন—এমন অভিযোগও করেছেন সমালোচকরা।

তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মন্তব্য করতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে বিভিন্ন বক্তব্য ও অডিও ছড়িয়ে পড়লেও সেগুলোর সত্যতা ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

মাহমুদুল হাসানের স্ত্রী নূরুন আখতারও বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং বর্তমানে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

তার নিয়োগ ও ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও পারিবারিক প্রভাব কাজ করেছে—এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য সরকারি নথি বা স্বাধীন তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীরা তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং কর্মজীবনের বিভিন্ন পদায়ন খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।

মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করা হতো।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, তৎকালীন মাঠ প্রশাসনের সদস্য কিংবা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে মাহমুদুল হাসান আর্থিক লেনদেন করেছেন।

এমনকি ৩০ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের পক্ষে কোনো আদালতের নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য প্রামাণ্য দলিল এই প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়নি।

তাই অভিযোগটি সত্য কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাহমুদুল হাসানের বিদেশে দায়িত্ব পালন এবং যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ অর্জন নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, জাতিসংঘে দায়িত্ব পালনের সময় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে তার পরিবারের নামে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি কেনা হয়েছে।

তবে ওই সম্পদের মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং বৈধতা সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্য নথি বা সরকারি তদন্তের তথ্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীরা মাহমুদুল হাসান ও তার পরিবারের দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদের উৎস, আয়কর নথি এবং ব্যাংক লেনদেন যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে আগের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের কেউ কেউ দায়িত্বে থাকলেও তাদের অতীত ভূমিকা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি।

তাদের দাবি, মাহমুদুল হাসান ও নূরুন আখতারের রাজনৈতিক ভূমিকা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, পদায়ন, সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সরকারি বিধি ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে মাহমুদুল হাসান ও নূরুন আখতারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।