সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কথোপকথনকে কেন্দ্র করে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। অডিওতে আটক এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি এবং তাকে ‘থার্টি ফোর’ ধারায় আদালতে পাঠানোর বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ওই অডিও কথোপকথনে আটক বিপুল হোসেনের পরিবারের সদস্যদের এসআই তরিকুল ইসলামের কাছে আকুতি জানাতে শোনা যায়। একপর্যায়ে এসআই তরিকুলকে বলতে শোনা যায়, ‘১২ হাজার টাকা নগদ দেন, বাকি ৮ হাজার থানায় নিয়ে আসেন।’
অডিওতে আরও তাকে বলতে শোনা যায়, ‘থার্টি ফোর দিয়ে চালান দিবো, কোর্টে গেলেই জামিন।’
পরিবারের সদস্যরা জামিন হবে কি না জানতে চাইলে কথোপকথনে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, পরিচিত কোনো আইনজীবী থাকলে ফোন করে জেনে নিতে এবং আদালতে গেলে জামিন হয়ে যাবে।
অডিওতে তাকে আরও বলতে শোনা যায়, এটি সন্দেহজনক ধারায় দেওয়া হচ্ছে। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলে আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যাওয়ার এবং বাকি ৮ হাজার টাকা থানায় নিয়ে আসার কথাও শোনা যায়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অডিওতে থাকা কথোপকথনের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই তরিকুল ইসলাম প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে রোববার সন্ধ্যায় তাকে প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোনকল কেটে দেন।
অভিযোগটি ঘিরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অডিওটির উৎস, কথোপকথনের প্রেক্ষাপট এবং সেখানে উত্থাপিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।




















