০৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

কুয়েতের বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা, আহত কয়েকজন মার্কিন নাগরিক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ৫০৯

কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (৩০ মে) সংঘটিত এ ঘটনায় কয়েকজন মার্কিন নাগরিক আহত হওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটির দিকে ইরান একটি ফাতেহ-১১০ স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। তবে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশেই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস হওয়ার পর এর ধ্বংসাবশেষ ঘাঁটির ভেতরে পড়ে সীমিত ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় ঠিকাদার ও দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যসহ অন্তত পাঁচজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অন্যটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের মূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ঘটনার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ফলে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে আলোচনার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণ এবং সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

ফাতেহ-১১০ ইরানের তৈরি একটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। আঞ্চলিক সামরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে এটি ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে গ্রেপ্তার ‘খোঁড়া কামরুল

কুয়েতের বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা, আহত কয়েকজন মার্কিন নাগরিক

আপডেট: ০৯:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (৩০ মে) সংঘটিত এ ঘটনায় কয়েকজন মার্কিন নাগরিক আহত হওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটির দিকে ইরান একটি ফাতেহ-১১০ স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। তবে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশেই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস হওয়ার পর এর ধ্বংসাবশেষ ঘাঁটির ভেতরে পড়ে সীমিত ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় ঠিকাদার ও দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যসহ অন্তত পাঁচজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অন্যটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের মূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ঘটনার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ফলে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে আলোচনার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণ এবং সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

ফাতেহ-১১০ ইরানের তৈরি একটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। আঞ্চলিক সামরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে এটি ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।