০৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি: তেল উৎপাদন ব্যাপক হারে কমালো কুয়েত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেল উত্তোলন কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কুয়েত। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

কেপিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ধাপে ধাপে তেল উৎপাদন কমানো শুরু হয়েছে। গত ১০ মার্চ কুয়েত দৈনিক মাত্র ৫ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করেছে, যা তাদের স্বাভাবিক সময়ের গড় উৎপাদন (দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেলের বেশি) থেকে প্রায় ৬ গুণ কম। মূলত কৌশলগত এই জলপথে জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি বাড়ায় কুয়েত এই সাময়িক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে যাতায়াত করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই অঞ্চলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই রুটে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা আন্তর্জাতিক বিমা খরচ এবং জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইরানের হুঁশিয়ারি ও বৈশ্বিক প্রভাব
এদিকে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থনকারী দেশগুলোকে তারা ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচনা করছে। যুদ্ধ চলাকালীন এসব দেশের পতাকাবাহী বা মালিকানাধীন জাহাজে হামলা অব্যাহত থাকতে পারে বলে তেহরান সতর্কবার্তা দিয়েছে।
কুয়েতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে টান পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কেপিসি জানিয়েছে, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া মাত্রই তারা পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরবে।

সর্বাধিক পঠিত

ঝিকরগাছায় অনলাইন ক্যাসিনোর মরণফাঁদ: নিঃস্ব হচ্ছে শত শত পরিবার, বাড়ছে সামাজিক অস্থিরতা

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি: তেল উৎপাদন ব্যাপক হারে কমালো কুয়েত

আপডেট: ০১:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেল উত্তোলন কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কুয়েত। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

কেপিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই ধাপে ধাপে তেল উৎপাদন কমানো শুরু হয়েছে। গত ১০ মার্চ কুয়েত দৈনিক মাত্র ৫ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করেছে, যা তাদের স্বাভাবিক সময়ের গড় উৎপাদন (দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেলের বেশি) থেকে প্রায় ৬ গুণ কম। মূলত কৌশলগত এই জলপথে জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি বাড়ায় কুয়েত এই সাময়িক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে যাতায়াত করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই অঞ্চলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই রুটে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা আন্তর্জাতিক বিমা খরচ এবং জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইরানের হুঁশিয়ারি ও বৈশ্বিক প্রভাব
এদিকে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থনকারী দেশগুলোকে তারা ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচনা করছে। যুদ্ধ চলাকালীন এসব দেশের পতাকাবাহী বা মালিকানাধীন জাহাজে হামলা অব্যাহত থাকতে পারে বলে তেহরান সতর্কবার্তা দিয়েছে।
কুয়েতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে টান পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কেপিসি জানিয়েছে, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া মাত্রই তারা পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরবে।