০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

তেহরানে ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ভবনে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪১

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান সম্প্রচার’ (আইআরআইবি)-এর প্রধান কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করে এই হামলা চালানো হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আইডিএফ-এর দাবি: ‘প্রোপাগান্ডা মেশিনের হৃৎপিণ্ডে আঘাত’
হামলার পর আইডিএফ একে ‘ইরানি প্রোপাগান্ডা মেশিনের হৃৎপিণ্ডে সরাসরি আঘাত’ বলে অভিহিত করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ফারসি ভাষার অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, তাদের যুদ্ধবিমানগুলো তেহরানে অবস্থিত আইআরআইবি কমপ্লেক্সে সুনির্দিষ্ট (Surgical Strike) হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কয়েক ডজন শক্তিশালী গোলাবারুদ ব্যবহার করে এই ‘যোগাযোগ কেন্দ্র’ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। তাদের মতে, আইআরআইবি কেন্দ্রটি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র ‘মিথ্যা ও নিপীড়নের যন্ত্রের মূল কেন্দ্র’।
পুরনো সংঘাতের পুনরাবৃত্তি
উল্লেখ্য যে, এটিই প্রথম নয়; গত বছরের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধের সময়ও এই সংবাদমাধ্যমটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েল। দীর্ঘদিনের বৈরিতার ধারাবাহিকতায় এবার সরাসরি দেশটির রাজধানী তেহরানের স্পর্শকাতর স্থাপনায় আঘাত হানল তেল আবিব।

এই হামলার পর তেহরানজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে হামলার ফলে কী পরিমাণ প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ওপর এই হামলা দুই দেশের চলমান ছায়া যুদ্ধকে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

তেহরানে ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ভবনে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা

আপডেট: ১১:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান সম্প্রচার’ (আইআরআইবি)-এর প্রধান কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করে এই হামলা চালানো হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আইডিএফ-এর দাবি: ‘প্রোপাগান্ডা মেশিনের হৃৎপিণ্ডে আঘাত’
হামলার পর আইডিএফ একে ‘ইরানি প্রোপাগান্ডা মেশিনের হৃৎপিণ্ডে সরাসরি আঘাত’ বলে অভিহিত করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ফারসি ভাষার অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, তাদের যুদ্ধবিমানগুলো তেহরানে অবস্থিত আইআরআইবি কমপ্লেক্সে সুনির্দিষ্ট (Surgical Strike) হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কয়েক ডজন শক্তিশালী গোলাবারুদ ব্যবহার করে এই ‘যোগাযোগ কেন্দ্র’ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। তাদের মতে, আইআরআইবি কেন্দ্রটি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র ‘মিথ্যা ও নিপীড়নের যন্ত্রের মূল কেন্দ্র’।
পুরনো সংঘাতের পুনরাবৃত্তি
উল্লেখ্য যে, এটিই প্রথম নয়; গত বছরের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধের সময়ও এই সংবাদমাধ্যমটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েল। দীর্ঘদিনের বৈরিতার ধারাবাহিকতায় এবার সরাসরি দেশটির রাজধানী তেহরানের স্পর্শকাতর স্থাপনায় আঘাত হানল তেল আবিব।

এই হামলার পর তেহরানজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে হামলার ফলে কী পরিমাণ প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের ওপর এই হামলা দুই দেশের চলমান ছায়া যুদ্ধকে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।