০৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীতে তারাবির নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪০

রাজশাহীর পবা উপজেলায় নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মো. আদিল (১১) নামে এক শিশুর মরদেহ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কর্ণহার থানাধীন ধরমপুর গ্রাম থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আদিল ওই গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমান রানার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে আদিল তার দাদা শামসুল হুদার সঙ্গে ধরমপুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। নামাজ শেষে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা সারারাত আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
সোমবার সকালে স্থানীয় কৃষকরা মাঠের একটি ধানক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কর্ণহার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

কর্ণহার থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। এটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন:
> “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”
>
শিশু আদিলের এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে ধরমপুর গ্রামসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার আকাশ-বাতাস। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

রাজশাহীতে তারাবির নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ১২:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

রাজশাহীর পবা উপজেলায় নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মো. আদিল (১১) নামে এক শিশুর মরদেহ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কর্ণহার থানাধীন ধরমপুর গ্রাম থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আদিল ওই গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমান রানার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কর্ণহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে আদিল তার দাদা শামসুল হুদার সঙ্গে ধরমপুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। নামাজ শেষে দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা সারারাত আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
সোমবার সকালে স্থানীয় কৃষকরা মাঠের একটি ধানক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কর্ণহার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

কর্ণহার থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। এটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন:
> “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”
>
শিশু আদিলের এমন রহস্যজনক মৃত্যুতে ধরমপুর গ্রামসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার আকাশ-বাতাস। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।