আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে যৌথভাবে আয়োজিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে পাকিস্তান। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটি বয়কট করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে বলা হয়েছে, বাবর আজম ও শাহীন শাহ আফ্রিদিদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় দলকে ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়:
“আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।”
পাকিস্তানের এমন কঠোর সিদ্ধান্তের পেছনে আইসিসির সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্তের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি আইসিসির বিরুদ্ধে ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ এনেছেন। বিশেষ করে, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় পাকিস্তান সংহতি প্রকাশ করেছে।
ঘটনার মূলে রয়েছে আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বাদ পড়া এবং পরবর্তীতে বিসিবির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা শঙ্কা প্রকাশ। এই ইস্যুতে আইসিসি ও বিসিবির আলোচনায় কোনো সমাধান না আসায় ভোটাভুটি হয়। সেখানে ১৪-২ ভোটে বাংলাদেশ হেরে যায়, যেখানে একমাত্র পাকিস্তানই বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কার ভেন্যুতে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাবর আজমদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন ও জিও নিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারত-পাকিস্তান হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি পণ্ড হওয়ার পথে, যা আইসিসি এবং টুর্নামেন্ট আয়োজকদের জন্য বড় ধরনের বাণিজ্যিক ধাক্কা হতে পারে।





















