০২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝিকরগাছায় দাফনের প্রস্তুতির সময় নড়ে উঠলেন ‘মৃত’ যুবক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫২

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোরের ঝিকরগাছায় চিকিৎসকের মৃত ঘোষণা করা এক যুবকের দাফন প্রস্তুতির সময় ‘জীবিত’ হয়ে ওঠার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি একদিকে যেমন স্বজনদের মাঝে আনন্দের জোয়ার এনেছে, অন্যদিকে আঙুল তুলেছে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে শংকরপুর ইউনিয়নের ২৮ বছর বয়সী যুবক নূর হোসেন হঠাত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনরা তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন এবং ডেথ সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

স্বজনরা শোকাতুর অবস্থায় নূর হোসেনের ‘মরদেহ’ বাড়িতে নিয়ে আসেন। পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজন জড়ো হতে থাকেন শেষ বিদায়ে। দাফনের জন্য গোসল ও কাফন পরানোর প্রস্তুতি চলাকালে এক অবিশ্বাস্য দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত কয়েকজন স্বজন লক্ষ্য করেন, নূর হোসেনের হাত-পা সামান্য নড়ছে। নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে। মুহূর্তেই কান্নার রোল আনন্দের চিৎকারে রূপ নেয়।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে নূর হোসেনের বাড়িতে শত শত মানুষ ভিড় জমায়। উপস্থিত গ্রামবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের দাবি, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সঠিক পরীক্ষা ছাড়াই নূর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, “বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর বাণিজ্যিক মানসিকতা এবং অদক্ষ চিকিৎসকদের কারণেই জ্যান্ত মানুষকে মৃত সাজিয়ে দাফনের জন্য পাঠানো হয়েছে।”

নূর হোসেনকে তাৎক্ষণিকভাবে আবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এই খবর লেখা পর্যন্ত নূর হোসেনের শারীরিক অবস্থার সবশেষ আপডেট জানা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার এবং এলাকাবাসী জেলা সিভিল সার্জনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দায়ী ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

ঝিকরগাছায় দাফনের প্রস্তুতির সময় নড়ে উঠলেন ‘মৃত’ যুবক

আপডেট: ১১:২১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোরের ঝিকরগাছায় চিকিৎসকের মৃত ঘোষণা করা এক যুবকের দাফন প্রস্তুতির সময় ‘জীবিত’ হয়ে ওঠার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি একদিকে যেমন স্বজনদের মাঝে আনন্দের জোয়ার এনেছে, অন্যদিকে আঙুল তুলেছে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে শংকরপুর ইউনিয়নের ২৮ বছর বয়সী যুবক নূর হোসেন হঠাত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনরা তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন এবং ডেথ সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

স্বজনরা শোকাতুর অবস্থায় নূর হোসেনের ‘মরদেহ’ বাড়িতে নিয়ে আসেন। পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজন জড়ো হতে থাকেন শেষ বিদায়ে। দাফনের জন্য গোসল ও কাফন পরানোর প্রস্তুতি চলাকালে এক অবিশ্বাস্য দৃশ্যের অবতারণা হয়। উপস্থিত কয়েকজন স্বজন লক্ষ্য করেন, নূর হোসেনের হাত-পা সামান্য নড়ছে। নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে। মুহূর্তেই কান্নার রোল আনন্দের চিৎকারে রূপ নেয়।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে নূর হোসেনের বাড়িতে শত শত মানুষ ভিড় জমায়। উপস্থিত গ্রামবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের দাবি, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সঠিক পরীক্ষা ছাড়াই নূর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, “বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর বাণিজ্যিক মানসিকতা এবং অদক্ষ চিকিৎসকদের কারণেই জ্যান্ত মানুষকে মৃত সাজিয়ে দাফনের জন্য পাঠানো হয়েছে।”

নূর হোসেনকে তাৎক্ষণিকভাবে আবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এই খবর লেখা পর্যন্ত নূর হোসেনের শারীরিক অবস্থার সবশেষ আপডেট জানা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার এবং এলাকাবাসী জেলা সিভিল সার্জনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দায়ী ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।