আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ-এর নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায়ের সম্ভাব্য এই সময়কাল সম্পর্কে আদেশ দেন।
গত বছরের ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করে। মামলাটিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তারকৃতদের অবস্থা
মামলার মোট ৩০ জন আসামির মধ্যে বর্তমানে ৬ জন কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন:
* বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন: সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং সাবেক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ।
* পুলিশ সদস্য: সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
* অন্যান্য: নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
আবু সাঈদ: গণঅভ্যুত্থানের অগ্নিশিখা
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি ওই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
নিশস্ত্র আবু সাঈদের ওপর পুলিশের গুলি বর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও একদফা দাবির ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার প্রবল অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান।
শহীদ আবু সাঈদের পরিবার ও সাধারণ ছাত্রসমাজ এখন এই ঐতিহাসিক রায়ের অপেক্ষায় দিন গুনছে।





















