০২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ষড়যন্ত্র রুখতে তাহাজ্জুদের সময় ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার ডাক তারেক রহমানের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:১৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮৯

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “ভোটের দিন তাহাজ্জুদের ওয়াক্তে ঘুম থেকে উঠবেন। ভোট কেন্দ্রের সামনে জামাতে নামাজ আদায় করবেন। নিজের ভোট দিয়ে তবেই হিসাব বুঝে ঘরে ফিরবেন। কোনো ষড়যন্ত্র যেন আপনাদের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।”
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ফেনী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেনীবাসীর জন্য উন্নয়ন অঙ্গীকার
ফেনীকে নিজের ‘নানা বাড়ি’র এলাকা সম্বোধন করে তারেক রহমান ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন:
: বিএনপি সরকার গঠন করলে ফেনী অঞ্চলে একটি পূর্ণাঙ্গ ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) করা হবে।
: দীর্ঘদিনের দাবি মেটাতে ফেনীতে একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে।
: নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের সহায়তা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে।
বিগত ১৫ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পালিয়েছে। এখন সময় এসেছে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের। গত দেড় দশক দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই অধিকার আজ পুনরদ্ধার হয়েছে।”
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, অন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নিয়ে সময় নষ্ট না করে জনকল্যাণ ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় মনোযোগ দিন। দুর্নীতি রোধ এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকা হিসেবে ফেনীর মানুষের দায়িত্ব অনেক বেশি বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা হবে।
জনসভায় ফেনী জেলা বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে ফেনী শহর ও আশপাশের এলাকায় বিপুল জনসমাগম ঘটে, যা এক পর্যায়ে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

সর্বাধিক পঠিত

মাগুরায় বসে যশোরে মাদকের জাল: নেপথ্যে রহস্যময়ী জেরিন

ষড়যন্ত্র রুখতে তাহাজ্জুদের সময় ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার ডাক তারেক রহমানের

আপডেট: ০৯:১৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “ভোটের দিন তাহাজ্জুদের ওয়াক্তে ঘুম থেকে উঠবেন। ভোট কেন্দ্রের সামনে জামাতে নামাজ আদায় করবেন। নিজের ভোট দিয়ে তবেই হিসাব বুঝে ঘরে ফিরবেন। কোনো ষড়যন্ত্র যেন আপনাদের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।”
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ফেনী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেনীবাসীর জন্য উন্নয়ন অঙ্গীকার
ফেনীকে নিজের ‘নানা বাড়ি’র এলাকা সম্বোধন করে তারেক রহমান ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন:
: বিএনপি সরকার গঠন করলে ফেনী অঞ্চলে একটি পূর্ণাঙ্গ ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) করা হবে।
: দীর্ঘদিনের দাবি মেটাতে ফেনীতে একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে।
: নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের সহায়তা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে।
বিগত ১৫ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পালিয়েছে। এখন সময় এসেছে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের। গত দেড় দশক দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই অধিকার আজ পুনরদ্ধার হয়েছে।”
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, অন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নিয়ে সময় নষ্ট না করে জনকল্যাণ ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় মনোযোগ দিন। দুর্নীতি রোধ এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকা হিসেবে ফেনীর মানুষের দায়িত্ব অনেক বেশি বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা হবে।
জনসভায় ফেনী জেলা বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে ফেনী শহর ও আশপাশের এলাকায় বিপুল জনসমাগম ঘটে, যা এক পর্যায়ে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।