নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিভিন্ন মামলায় যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মহিলা আওয়ামী লীগের এক নেত্রীসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাঁদের সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা আওয়ামী লীগ যশোর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌসী বেগম সুন্দরী, সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম ইকবাল ও রবিউল ইসলাম খান।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় যশোর শহরের নিউমার্কেট থেকে পালবাড়ি মোড় পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় করা মামলায় ফেরদৌসী বেগম সুন্দরীর নাম রয়েছে। শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে শহরের পুরাতন কসবা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, গত ৩১ জুলাই রাতে শহরতলির রাজারহাট পিকনিক কর্নার এলাকায় মিছিলের ঘটনায় করা নাশকতা মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম ইকবালকে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপশহর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ছাড়া গত ৬ জুন রাতে সদর উপজেলার জঙ্গলবাঁধাল গ্রামে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা মামলায় রবিউল ইসলাম খানকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন—স্বামীর বিশ্বাস, ইয়ানূর ইসলাম, অচিন্ত্য বিশ্বাস, সুজন মোল্লা, জিয়াউর রহমান, দীপঙ্কর বিশ্বাস, আসাদুজ্জামান, শার্শার রবিউল ইসলাম, মনিরামপুরের আবুল বাশার, চৌগাছার আজিজ মণ্ডল, ঝিকরগাছার শাহিন আলম ও আবুল কালাম আজাদ।
পুলিশ জানায়, নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিভিন্ন মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার পর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাঁদের আটক করার পর সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলাগুলোর তদন্ত এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।



















