১০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

দাফনেও থামেনি সম্পত্তির বিরোধ, কারবালা কবরস্থানে স্বজনদের হাতাহাতি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০১

যশোর শহরের কারবালা কবরস্থানে এক বৃদ্ধের মরদেহ দাফনকে কেন্দ্র করে স্বজনদের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে সিতারামপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মরদেহ দাফনের সময় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদের মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় তাঁর ভাগনি মাসুমা খাতুনের স্বজনেরা দাফনে বাধা দেন। তাঁদের অভিযোগ, সম্পত্তির বণ্টনের ক্ষেত্রে মাসুমা খাতুনের মা এবং আবুল কালাম আজাদের বোন মমতাজ জেমানীকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া আবুল কালাম আজাদের বোন মমতাজ জেমানী, হাসিনা ও বিলকিসের ছেলে-মেয়েরা তাঁদের মামার বাড়ির সম্পত্তিতে নিজেদের অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন।

তবে এ দাবি অস্বীকার করেছেন আবুল কালাম আজাদের অন্য স্বজনেরা। তাঁদের ভাষ্য, যে জমিকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে, সেটি আবুল কালাম আজাদ নিলামের মাধ্যমে নিজেই কিনেছিলেন। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর পারিবারিক সম্পত্তি ভাই-বোনদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হয়েছিল।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় মরদেহ সামনে রেখেই স্বজনদের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা চলতে থাকায় কবরস্থানে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দাফনে বাধা দেওয়া পক্ষ ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে আবুল কালাম আজাদের মরদেহ কারবালা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তাঁদের কেউ কেউ বলেন, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থাকলে তা পারিবারিক সমঝোতা কিংবা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। কিন্তু একজন মৃত ব্যক্তির দাফনকে কেন্দ্র করে এমন বিরোধ ও হাতাহাতির ঘটনা দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

সর্বাধিক পঠিত

দাফনেও থামেনি সম্পত্তির বিরোধ, কারবালা কবরস্থানে স্বজনদের হাতাহাতি

দাফনেও থামেনি সম্পত্তির বিরোধ, কারবালা কবরস্থানে স্বজনদের হাতাহাতি

আপডেট: ১০:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

যশোর শহরের কারবালা কবরস্থানে এক বৃদ্ধের মরদেহ দাফনকে কেন্দ্র করে স্বজনদের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে সিতারামপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মরদেহ দাফনের সময় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদের মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় তাঁর ভাগনি মাসুমা খাতুনের স্বজনেরা দাফনে বাধা দেন। তাঁদের অভিযোগ, সম্পত্তির বণ্টনের ক্ষেত্রে মাসুমা খাতুনের মা এবং আবুল কালাম আজাদের বোন মমতাজ জেমানীকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া আবুল কালাম আজাদের বোন মমতাজ জেমানী, হাসিনা ও বিলকিসের ছেলে-মেয়েরা তাঁদের মামার বাড়ির সম্পত্তিতে নিজেদের অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন।

তবে এ দাবি অস্বীকার করেছেন আবুল কালাম আজাদের অন্য স্বজনেরা। তাঁদের ভাষ্য, যে জমিকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে, সেটি আবুল কালাম আজাদ নিলামের মাধ্যমে নিজেই কিনেছিলেন। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর পারিবারিক সম্পত্তি ভাই-বোনদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হয়েছিল।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় মরদেহ সামনে রেখেই স্বজনদের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা চলতে থাকায় কবরস্থানে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দাফনে বাধা দেওয়া পক্ষ ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে আবুল কালাম আজাদের মরদেহ কারবালা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তাঁদের কেউ কেউ বলেন, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থাকলে তা পারিবারিক সমঝোতা কিংবা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। কিন্তু একজন মৃত ব্যক্তির দাফনকে কেন্দ্র করে এমন বিরোধ ও হাতাহাতির ঘটনা দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।