০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

অধিকাল ভাতা পুনর্বহালের দাবিতে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্মচারীদের কর্মবিরতি ১০-১১ মে

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৪৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১০

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত কর্মচারীরা অধিকাল ভাতা পুনর্বহালের দাবিতে দুই দিনের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারি নির্ধারিত অফিস সময়ের পর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের বিপরীতে এই ভাতা পুনরায় চালুর দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ ও ১১ মে ২০২৬ প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দরের বিভিন্ন স্থানে কর্মবিরতি পালন করা হবে। ইতোমধ্যে কর্মসূচি সফল করতে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার টানানো হয়েছে এবং কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কর্মচারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অধিকাল ভাতা বন্ধ থাকায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার বাইরে কাজ করলেও তার যথাযথ পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না। এতে তাদের মধ্যে অসন্তোষ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তারা গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন কর্মচারীরা।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি-৩ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন বিভিন্ন বন্দরে কর্মরত কর্মচারীদের অধিকাল ভাতা প্রদানে অসম্মতি জানানো হয়। এরপর থেকেই বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মচারীরা এই ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কর্মচারীদের দাবি, অধিকাল ভাতা তাদের ন্যায্য অধিকার। কারণ, বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে তাদের প্রায়ই অফিস সময়ের পরও দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই অতিরিক্ত শ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে অধিকাল ভাতা পুনর্বহাল করা জরুরি।
এদিকে, ঘোষিত কর্মবিরতির কারণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, কাস্টমস সেবা এবং পণ্য খালাসে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ব্যবসায়ী, আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হতে পারেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপই এ সংকট নিরসনের একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি দখলের অভিযোগ: সাবেক ডিবি ওসিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

অধিকাল ভাতা পুনর্বহালের দাবিতে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্মচারীদের কর্মবিরতি ১০-১১ মে

আপডেট: ০৫:৪৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত কর্মচারীরা অধিকাল ভাতা পুনর্বহালের দাবিতে দুই দিনের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারি নির্ধারিত অফিস সময়ের পর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের বিপরীতে এই ভাতা পুনরায় চালুর দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ ও ১১ মে ২০২৬ প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দরের বিভিন্ন স্থানে কর্মবিরতি পালন করা হবে। ইতোমধ্যে কর্মসূচি সফল করতে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার টানানো হয়েছে এবং কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কর্মচারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অধিকাল ভাতা বন্ধ থাকায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার বাইরে কাজ করলেও তার যথাযথ পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না। এতে তাদের মধ্যে অসন্তোষ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তারা গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন কর্মচারীরা।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি-৩ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন বিভিন্ন বন্দরে কর্মরত কর্মচারীদের অধিকাল ভাতা প্রদানে অসম্মতি জানানো হয়। এরপর থেকেই বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মচারীরা এই ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কর্মচারীদের দাবি, অধিকাল ভাতা তাদের ন্যায্য অধিকার। কারণ, বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে তাদের প্রায়ই অফিস সময়ের পরও দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই অতিরিক্ত শ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে অধিকাল ভাতা পুনর্বহাল করা জরুরি।
এদিকে, ঘোষিত কর্মবিরতির কারণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, কাস্টমস সেবা এবং পণ্য খালাসে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ব্যবসায়ী, আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হতে পারেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপই এ সংকট নিরসনের একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।