০৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫টি জাহাজের সফল খালাস: কাটবে জ্বালানি সংকট, সচল অর্থনীতির চাকা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • ৫১১

দেশের আমদানিকৃত জ্বালানি ও লুব্রিকেন্ট চাহিদাপূরণে বড় ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চলতি মার্চ মাসে রেকর্ড সংখ্যক ২৫টি জাহাজের পণ্য খালাস সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি বাজারে যেকোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরির পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
লুব্রিকেন্ট চাহিদা মেটাবে ‘এবি অলিভিয়া’
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ড থেকে আসা বিশেষায়িত জাহাজ ‘এবি অলিভিয়া’ এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ‘বেস অয়েল’ (Base Oil) খালাস করা হয়েছে। এই বেস অয়েল দেশের লুব্রিকেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ লুব্রিকেন্ট চাহিদা পূরণ হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনশীল শিল্প খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাশ্রয় হবে কয়েক কোটি টাকা
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই লজিস্টিক সাফল্য প্রসঙ্গে বলেন, “একটি জাহাজ সময়মতো খালাস হওয়া মানে দেশের কয়েক কোটি টাকার সাশ্রয় এবং বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হওয়া। মার্চ মাসে ২৫টি জাহাজের সফল খালাস আমাদের লজিস্টিক সক্ষমতারই বড় প্রমাণ।”
বাজার স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আমদানির এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। বর্তমানে আরও কিছু জাহাজ পথে রয়েছে; সেগুলো সময়মতো বন্দরে পৌঁছালে এবং দ্রুত খালাস সম্পন্ন হলে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখা আরও সহজ হবে। বিশেষ করে রমজান ও পরবর্তী সময়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এই লজিস্টিক সক্ষমতা বড় ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের এই দক্ষতায় ব্যবসায়ী এবং শিল্প উদ্যোক্তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, যা সামগ্রিকভাবে দেশের জিডিপিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫টি জাহাজের সফল খালাস: কাটবে জ্বালানি সংকট, সচল অর্থনীতির চাকা

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫টি জাহাজের সফল খালাস: কাটবে জ্বালানি সংকট, সচল অর্থনীতির চাকা

আপডেট: ০৬:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

দেশের আমদানিকৃত জ্বালানি ও লুব্রিকেন্ট চাহিদাপূরণে বড় ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চলতি মার্চ মাসে রেকর্ড সংখ্যক ২৫টি জাহাজের পণ্য খালাস সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি বাজারে যেকোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরির পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
লুব্রিকেন্ট চাহিদা মেটাবে ‘এবি অলিভিয়া’
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ড থেকে আসা বিশেষায়িত জাহাজ ‘এবি অলিভিয়া’ এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ‘বেস অয়েল’ (Base Oil) খালাস করা হয়েছে। এই বেস অয়েল দেশের লুব্রিকেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ লুব্রিকেন্ট চাহিদা পূরণ হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনশীল শিল্প খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাশ্রয় হবে কয়েক কোটি টাকা
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই লজিস্টিক সাফল্য প্রসঙ্গে বলেন, “একটি জাহাজ সময়মতো খালাস হওয়া মানে দেশের কয়েক কোটি টাকার সাশ্রয় এবং বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হওয়া। মার্চ মাসে ২৫টি জাহাজের সফল খালাস আমাদের লজিস্টিক সক্ষমতারই বড় প্রমাণ।”
বাজার স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আমদানির এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। বর্তমানে আরও কিছু জাহাজ পথে রয়েছে; সেগুলো সময়মতো বন্দরে পৌঁছালে এবং দ্রুত খালাস সম্পন্ন হলে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখা আরও সহজ হবে। বিশেষ করে রমজান ও পরবর্তী সময়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এই লজিস্টিক সক্ষমতা বড় ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের এই দক্ষতায় ব্যবসায়ী এবং শিল্প উদ্যোক্তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, যা সামগ্রিকভাবে দেশের জিডিপিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।