০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বেনাপোলে ১৬ কার্যদিবসে এলো ৫ হাজার টন চাল;

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৮

সরকার ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে রেকর্ড পরিমাণ নন-বাসমতি মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। গত ১৬ কার্যদিবসে মোট ৩২টি চালানের মাধ্যমে ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে আসা এই চালের চালানগুলো বর্তমানে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৯টা পর্যন্ত এই চালগুলো বন্দরে এসে পৌঁছায়। উল্লেখ্য, দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। আমদানির এই বিশেষ সময়সীমা নির্ধারিত ছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত।
আমদানির সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র:
* মোট আমদানিকৃত চাল: ৫,০০৫ মেট্রিক টন।
* সময়কাল: ১৬ কার্যদিবস (২৭ জানুয়ারি – ১০ মার্চ)।
* চালান সংখ্যা: ৩২টি।
* পরিবহন: ১৪১টি ভারতীয় ট্রাক।

এই বিশাল পরিমাণ চাল আমদানির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং কেবি এন্টারপ্রাইজ নামক দুটি প্রতিষ্ঠান। আমদানিকৃত চালের শুল্কায়ন ও খালাসের দায়িত্বে রয়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত এই চাল পৌঁছাতে প্রতি কেজিতে খরচ পড়েছে প্রায় ৫০ টাকা। আমদানিকারকদের প্রত্যাশা, খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি প্রায় ৫১ টাকায় ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাবে।

এর আগে গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে এই বন্দর দিয়ে ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এবার স্বল্প সময়ে বড় চালান আসায় বাজার স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, “ভারত থেকে আসা চাল দ্রুত খালাস করে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমদানিকৃত চালের গুণগত মান যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা দ্রুতই দেশের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছে যাবে।”

সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে শার্শার লক্ষণপুরে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত*

বেনাপোলে ১৬ কার্যদিবসে এলো ৫ হাজার টন চাল;

আপডেট: ০১:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

সরকার ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে রেকর্ড পরিমাণ নন-বাসমতি মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। গত ১৬ কার্যদিবসে মোট ৩২টি চালানের মাধ্যমে ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে আসা এই চালের চালানগুলো বর্তমানে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৯টা পর্যন্ত এই চালগুলো বন্দরে এসে পৌঁছায়। উল্লেখ্য, দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। আমদানির এই বিশেষ সময়সীমা নির্ধারিত ছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত।
আমদানির সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র:
* মোট আমদানিকৃত চাল: ৫,০০৫ মেট্রিক টন।
* সময়কাল: ১৬ কার্যদিবস (২৭ জানুয়ারি – ১০ মার্চ)।
* চালান সংখ্যা: ৩২টি।
* পরিবহন: ১৪১টি ভারতীয় ট্রাক।

এই বিশাল পরিমাণ চাল আমদানির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং কেবি এন্টারপ্রাইজ নামক দুটি প্রতিষ্ঠান। আমদানিকৃত চালের শুল্কায়ন ও খালাসের দায়িত্বে রয়েছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত এই চাল পৌঁছাতে প্রতি কেজিতে খরচ পড়েছে প্রায় ৫০ টাকা। আমদানিকারকদের প্রত্যাশা, খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি প্রায় ৫১ টাকায় ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাবে।

এর আগে গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে এই বন্দর দিয়ে ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এবার স্বল্প সময়ে বড় চালান আসায় বাজার স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, “ভারত থেকে আসা চাল দ্রুত খালাস করে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমদানিকৃত চালের গুণগত মান যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা দ্রুতই দেশের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছে যাবে।”