১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ বিরতির পর বেনাপোল দিয়ে ভারতীয় চালের প্রবেশ: প্রথম চালানে ৫১০ টন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৫৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৯

দেশের চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পুনরায় চাল আমদানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ৫১০ মেট্রিক টন মোটা চালবাহী ১৪টি ট্রাক ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে বেনাপোল বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে এসে পৌঁছায়।
গত বছরের নভেম্বর মাসের পর বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সরকার গত ১৮ জানুয়ারি দেশের ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স’ প্রথম ধাপে এই নন-বাসমতি মোটা চাল নিয়ে এসেছে।
নির্ধারিত সময়সীমা ও দ্রুত খালাস
সরকারের কড়া নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানিকৃত এই চাল আগামী ৩ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে বাজারজাত করতে হবে। দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ‘মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ’ কাজ করছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন জানান:
“বাজারের অস্থিরতা কমাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমরা আমদানিকৃত চাল দ্রুত খালাসের অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনো কালক্ষেপণ ছাড়াই এই চাল বাজারজাত করার ব্যবস্থা করা হয়।”

সর্বাধিক পঠিত

২০ বছর পর বরিশালে তারেক রহমান: নেতাকর্মীদের জোয়ারে উৎসবের নগরী বরিশাল

দীর্ঘ বিরতির পর বেনাপোল দিয়ে ভারতীয় চালের প্রবেশ: প্রথম চালানে ৫১০ টন

আপডেট: ১১:৫৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পুনরায় চাল আমদানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ৫১০ মেট্রিক টন মোটা চালবাহী ১৪টি ট্রাক ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে বেনাপোল বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে এসে পৌঁছায়।
গত বছরের নভেম্বর মাসের পর বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ ছিল। সম্প্রতি চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সরকার গত ১৮ জানুয়ারি দেশের ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স’ প্রথম ধাপে এই নন-বাসমতি মোটা চাল নিয়ে এসেছে।
নির্ধারিত সময়সীমা ও দ্রুত খালাস
সরকারের কড়া নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানিকৃত এই চাল আগামী ৩ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে বাজারজাত করতে হবে। দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ‘মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ’ কাজ করছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন জানান:
“বাজারের অস্থিরতা কমাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমরা আমদানিকৃত চাল দ্রুত খালাসের অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনো কালক্ষেপণ ছাড়াই এই চাল বাজারজাত করার ব্যবস্থা করা হয়।”