০১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিলুপ্ত হচ্ছে ‘র‌্যাব’ নাম: নতুন পরিচয় ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১০

বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দীর্ঘ সময় সমালোচিত থাকার পর এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর নাম পরিবর্তনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এখন থেকে এই বাহিনী ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ) নামে পরিচিত হবে। শুধু নামই নয়, বাহিনীর ইউনিফর্ম ও কার্যবিধিতেও বড় ধরনের সংস্কার আনা হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, বাহিনীর পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে এই নতুন নাম অনুমোদন করেছেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নতুন নামের পাশাপাশি বাহিনীর দৃশ্যমান পরিচয় বা ইউনিফর্মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি বলেন:
> “এসআইএফ-এর নতুন পোশাকের উৎপাদন কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। খুব দ্রুতই মাঠ পর্যায়ে এই পরিবর্তন দেখা যাবে। সম্ভবত আগামী সপ্তাহেই বাহিনীর মহাপরিচালককে (ডিজি) নতুন পোশাকে প্রকাশ্যে দেখা যেতে পারে।”

নাম ও পোশাক পরিবর্তনের পাশাপাশি এই বাহিনীর মূল আইনেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, আগেকার আইনের অধীনে র‌্যাবের যেসব দায়িত্ব নির্ধারিত ছিল, সেগুলো এখন ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিশেষ অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে ফ্রান্স, ইতালি ও ইংল্যান্ডের এলিট ফোর্সগুলোর আদলে একে গঠন করা হচ্ছে। গত দেড় বছরে এই বাহিনীর কাজের ধরনে ইতোমধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে ‘র‌্যাপিড অ্যাকশন টিম’ (র‌্যাট) নামে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে তা ‘র‌্যাব’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবে গত কয়েক বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগে বাহিনীটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বারবার এটি বিলুপ্ত করার দাবি উঠলেও অন্তর্বর্তী সরকার বিলুপ্তির পরিবর্তে আমূল সংস্কারের মাধ্যমে একে জনবান্ধব করার পথ বেছে নিল।

সর্বাধিক পঠিত

ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী ইশতেহার আজ

বিলুপ্ত হচ্ছে ‘র‌্যাব’ নাম: নতুন পরিচয় ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স

আপডেট: ১১:৪০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দীর্ঘ সময় সমালোচিত থাকার পর এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর নাম পরিবর্তনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এখন থেকে এই বাহিনী ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ) নামে পরিচিত হবে। শুধু নামই নয়, বাহিনীর ইউনিফর্ম ও কার্যবিধিতেও বড় ধরনের সংস্কার আনা হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, বাহিনীর পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে এই নতুন নাম অনুমোদন করেছেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নতুন নামের পাশাপাশি বাহিনীর দৃশ্যমান পরিচয় বা ইউনিফর্মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি বলেন:
> “এসআইএফ-এর নতুন পোশাকের উৎপাদন কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। খুব দ্রুতই মাঠ পর্যায়ে এই পরিবর্তন দেখা যাবে। সম্ভবত আগামী সপ্তাহেই বাহিনীর মহাপরিচালককে (ডিজি) নতুন পোশাকে প্রকাশ্যে দেখা যেতে পারে।”

নাম ও পোশাক পরিবর্তনের পাশাপাশি এই বাহিনীর মূল আইনেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, আগেকার আইনের অধীনে র‌্যাবের যেসব দায়িত্ব নির্ধারিত ছিল, সেগুলো এখন ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিশেষ অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে ফ্রান্স, ইতালি ও ইংল্যান্ডের এলিট ফোর্সগুলোর আদলে একে গঠন করা হচ্ছে। গত দেড় বছরে এই বাহিনীর কাজের ধরনে ইতোমধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে ‘র‌্যাপিড অ্যাকশন টিম’ (র‌্যাট) নামে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে তা ‘র‌্যাব’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবে গত কয়েক বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগে বাহিনীটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বারবার এটি বিলুপ্ত করার দাবি উঠলেও অন্তর্বর্তী সরকার বিলুপ্তির পরিবর্তে আমূল সংস্কারের মাধ্যমে একে জনবান্ধব করার পথ বেছে নিল।