১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে, ৭.৮

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:১৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৪৫

সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। বিশেষ করে যশোর অঞ্চলের চাঁচড়া এলাকায় তীব্র ঠান্ডার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড়কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
চাঁচড়া এলাকার রিকশাচালক রহিম আলী জানান, শীতের তীব্রতায় সকাল ও রাতে যাত্রী পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোদ ওঠার পর কিছু মানুষ বের হলেও আগের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা অনেক কম। ফলে কমে গেছে দৈনন্দিন আয়, যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রচণ্ড ঠান্ডায় শুধু গরম কাপড়েও স্বস্তি মিলছে না। তাই শহর ও গ্রামের মোড়ে মোড়ে খড়কুটো, কাঠ ও কাগজ জ্বালিয়ে আগুন পোহানোর চিরাচরিত দৃশ্য চোখে পড়ছে। স্থানীয়দের মতে, গত কয়েকদিনের তুলনায় শীতের তীব্রতা বাড়ায় দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম পরিচালনা করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।)
শীতের তীব্রতায় পুড়ছে জীবন: চাঁচড়ায় আগুনের ওমে একটু শান্তির খোঁজ
মাঘের হাড়কাঁপানো শীতে থমকে গেছে জনপদ। সূর্য উঠলেও কমছে না হিমেল বাতাসের দাপট। যশোরের চাঁচড়া এলাকার রিকশাচালক রহিম আলীর কণ্ঠে ফুটে উঠেছে সেই অসহায়ত্ব। তিনি বলেন, “সকাল আর রাতে যাত্রী একেবারেই নেই। বেলা বাড়লে কিছু মানুষ বের হলেও আয় দিয়ে টিকে থাকা দায়।”
এই হাড়কাঁপানো শীত কেবল আয়-রোজগারই কেড়ে নেয়নি, জীবনযাত্রাকে করে তুলেছে সংঘাতময়। দেখা গেছে, কেবল ভারী কাপড়ে শীত মানছে না বিধায় গ্রামের মেঠোপথ থেকে শহরের অলিগলি—সর্বত্রই মানুষ খড়কুটো ও কাগজ জ্বালিয়ে উষ্ণতা খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। আগুনের সেই ক্ষণিক ওমটুকুই এখন নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র আশ্রয়।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে, ৭.৮

আপডেট: ১১:১৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। বিশেষ করে যশোর অঞ্চলের চাঁচড়া এলাকায় তীব্র ঠান্ডার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড়কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
চাঁচড়া এলাকার রিকশাচালক রহিম আলী জানান, শীতের তীব্রতায় সকাল ও রাতে যাত্রী পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোদ ওঠার পর কিছু মানুষ বের হলেও আগের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা অনেক কম। ফলে কমে গেছে দৈনন্দিন আয়, যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রচণ্ড ঠান্ডায় শুধু গরম কাপড়েও স্বস্তি মিলছে না। তাই শহর ও গ্রামের মোড়ে মোড়ে খড়কুটো, কাঠ ও কাগজ জ্বালিয়ে আগুন পোহানোর চিরাচরিত দৃশ্য চোখে পড়ছে। স্থানীয়দের মতে, গত কয়েকদিনের তুলনায় শীতের তীব্রতা বাড়ায় দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম পরিচালনা করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।)
শীতের তীব্রতায় পুড়ছে জীবন: চাঁচড়ায় আগুনের ওমে একটু শান্তির খোঁজ
মাঘের হাড়কাঁপানো শীতে থমকে গেছে জনপদ। সূর্য উঠলেও কমছে না হিমেল বাতাসের দাপট। যশোরের চাঁচড়া এলাকার রিকশাচালক রহিম আলীর কণ্ঠে ফুটে উঠেছে সেই অসহায়ত্ব। তিনি বলেন, “সকাল আর রাতে যাত্রী একেবারেই নেই। বেলা বাড়লে কিছু মানুষ বের হলেও আয় দিয়ে টিকে থাকা দায়।”
এই হাড়কাঁপানো শীত কেবল আয়-রোজগারই কেড়ে নেয়নি, জীবনযাত্রাকে করে তুলেছে সংঘাতময়। দেখা গেছে, কেবল ভারী কাপড়ে শীত মানছে না বিধায় গ্রামের মেঠোপথ থেকে শহরের অলিগলি—সর্বত্রই মানুষ খড়কুটো ও কাগজ জ্বালিয়ে উষ্ণতা খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। আগুনের সেই ক্ষণিক ওমটুকুই এখন নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র আশ্রয়।