০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

যশোরে ২,৬৩৫ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৬

যশোর প্রতিনিধি:
যশোরে শুরু হয়েছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি। প্রাথমিক পর্যায়ে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের ২ হাজার ৬৩৫ কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৪০৪ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষককে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ও সরকারি সূত্রেও এসব তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার হৈবতপুরের আবদুল বারী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মুঠোফোনে আর্থিক সহায়তার অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়। পরে নির্বাচিত কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক জানান, হৈবতপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হৈবতপুর কৃষি ব্লকে মোট ২ হাজার ৬৩৫ জন কৃষক রয়েছেন। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই শেষে তাদের মধ্য থেকে ২ হাজার ৪০৪ জনকে কার্ড ও আর্থিক সহায়তার জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকায় ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সংশ্লিষ্টরাও রয়েছেন।

স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত সময়ে কার্ড ও আর্থিক সহায়তা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। বানেয়ালি গ্রামের কৃষক আবু তালেব বলেন, নির্বাচনের আগে কৃষক কার্ড দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়ন হওয়ায় তিনি আনন্দিত। কাউদিয়া গ্রামের কৃষক আব্দার আলী জানান, পাওয়া অর্থ দিয়ে তাঁর স্ত্রী হাঁস-মুরগি পালন শুরু করবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, কৃষিঋণ, বীমা, প্রশিক্ষণ এবং কৃষি-সংক্রান্ত ডিজিটাল সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে ২,৬৩৫ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’

যশোরে ২,৬৩৫ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’

আপডেট: ০৭:৫২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

যশোর প্রতিনিধি:
যশোরে শুরু হয়েছে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি। প্রাথমিক পর্যায়ে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের ২ হাজার ৬৩৫ কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৪০৪ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষককে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ও সরকারি সূত্রেও এসব তথ্যের মিল পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার হৈবতপুরের আবদুল বারী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মুঠোফোনে আর্থিক সহায়তার অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়। পরে নির্বাচিত কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক জানান, হৈবতপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হৈবতপুর কৃষি ব্লকে মোট ২ হাজার ৬৩৫ জন কৃষক রয়েছেন। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই শেষে তাদের মধ্য থেকে ২ হাজার ৪০৪ জনকে কার্ড ও আর্থিক সহায়তার জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকায় ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সংশ্লিষ্টরাও রয়েছেন।

স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত সময়ে কার্ড ও আর্থিক সহায়তা পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। বানেয়ালি গ্রামের কৃষক আবু তালেব বলেন, নির্বাচনের আগে কৃষক কার্ড দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়ন হওয়ায় তিনি আনন্দিত। কাউদিয়া গ্রামের কৃষক আব্দার আলী জানান, পাওয়া অর্থ দিয়ে তাঁর স্ত্রী হাঁস-মুরগি পালন শুরু করবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক জাহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, কৃষিঋণ, বীমা, প্রশিক্ষণ এবং কৃষি-সংক্রান্ত ডিজিটাল সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।