০৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ, জামায়াত নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৫০:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৪

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ ওঠায় জামায়াতে ইসলামীর এক স্থানীয় নেতাকে দলীয় পদ থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির ইনামুল মোল্লাকে দলীয় পদ থেকে প্রাথমিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়ালমারী পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ নিয়ামুল হাসান।

অব্যাহতি পাওয়া ইনামুল মোল্লা বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কুশাডাঙ্গা গ্রামের মো. আকরাম মোল্যার ছেলে। তিনি স্থানীয় কে হালিম হাসপাতালে অভ্যর্থনা বিভাগে কর্মরত বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুশাডাঙ্গা গ্রামের কুটিপাড়ার এক নারীর সঙ্গে ইনামুল মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই নারীর স্বামী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি তাদের কথিত সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবারসহ স্থানীয় বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ইনামুল মোল্লাকে দলীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে দলটি।

বোয়ালমারী পৌরসভা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজ্জাদ বলেন, ‘এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ইনামুল মোল্লাকে প্রাথমিকভাবে মৌখিকভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাকে দল ও দলীয় সব পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।’

এদিকে কে হালিম হাসপাতালের ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, ‘দুদিন আগে ওই নারীর স্বামী বিদেশ থেকে ফোন করে তার স্ত্রীর সঙ্গে ইনামুলের সম্পর্কের অভিযোগের কথা জানিয়েছেন।’

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইনামুল মোল্লার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে অভিযোগের সত্যতা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।

সর্বাধিক পঠিত

বুড়িমারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে গিয়ে ৪ বছর কারাগারে, বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন জামালপুরের সিরাজুল

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ, জামায়াত নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি

আপডেট: ০৬:৫০:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ ওঠায় জামায়াতে ইসলামীর এক স্থানীয় নেতাকে দলীয় পদ থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির ইনামুল মোল্লাকে দলীয় পদ থেকে প্রাথমিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়ালমারী পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর আমির সৈয়দ নিয়ামুল হাসান।

অব্যাহতি পাওয়া ইনামুল মোল্লা বোয়ালমারী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কুশাডাঙ্গা গ্রামের মো. আকরাম মোল্যার ছেলে। তিনি স্থানীয় কে হালিম হাসপাতালে অভ্যর্থনা বিভাগে কর্মরত বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুশাডাঙ্গা গ্রামের কুটিপাড়ার এক নারীর সঙ্গে ইনামুল মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই নারীর স্বামী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি তাদের কথিত সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবারসহ স্থানীয় বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ইনামুল মোল্লাকে দলীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে দলটি।

বোয়ালমারী পৌরসভা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজ্জাদ বলেন, ‘এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ইনামুল মোল্লাকে প্রাথমিকভাবে মৌখিকভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাকে দল ও দলীয় সব পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।’

এদিকে কে হালিম হাসপাতালের ম্যানেজার রেজাউল করিম জানান, ‘দুদিন আগে ওই নারীর স্বামী বিদেশ থেকে ফোন করে তার স্ত্রীর সঙ্গে ইনামুলের সম্পর্কের অভিযোগের কথা জানিয়েছেন।’

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইনামুল মোল্লার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে অভিযোগের সত্যতা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।