১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

কর কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৯

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা ও কর কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘ সরকারি চাকরিজীবনে কর প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে প্রভাব খাটিয়ে এবং অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা দৃশ্যমান সরকারি তদন্তের তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২২তম বিসিএস (কর) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। কর্মজীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলে সহকারী কর কমিশনার, উপ-কর কমিশনার, যুগ্ম কর কমিশনার ও অতিরিক্ত কর কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার পরিচয় ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে অবস্থানও পরিবর্তন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি খুলনা কর আপিলাত ট্রাইব্যুনালে সদস্য (কর কমিশনার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বিভিন্ন কর ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তি, করদাতাদের বিশেষ সুবিধা প্রদান এবং হয়রানি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন ফখরুল ইসলাম।

অভিযোগকারীরা দাবি করেন, এসব অনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে তিনি ও তার ঘনিষ্ঠরা বিপুল অর্থ অর্জন করেছেন। পরে সেই অর্থ রাজধানী ঢাকা ও নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি, প্লট, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানের দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর মিরপুরের সেকশন-১২, ব্লক-বি, ২ নম্বর সড়কের ‘ডিসি সাহেবের বাড়ি’ নামে পরিচিত এলাকায় মূল্যবান জমির ওপর নির্মিত একাধিক ভবনে ফখরুল ইসলামের পরিবারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, হোল্ডিং নম্বর-২৫-এ অবস্থিত ‘শান্তির নীড়’ নামের ভবনে দুটি অভিজাত ফ্ল্যাট রয়েছে তার পরিবারের নামে এবং সেখানে তিনি বসবাস করেন। একই এলাকার হোল্ডিং নম্বর-১৫-এ অবস্থিত পাঁচতলা একটি ভবনেও তার বা পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মিরপুর ১২ নম্বর সি ব্লকের ৯ ও ১০ নম্বর সড়কে পরিবারের সদস্যদের নামে আরও দুটি বাড়ি রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, মিরপুরের বাইরে রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশান ও বনানীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফখরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি, ফ্ল্যাট, দোকান ও অন্যান্য স্থাবর সম্পদ রয়েছে।

এর মধ্যে গুলশান ডিসিসি মার্কেটে পরিবারের সদস্যদের নামে একটি বড় লাগেজের দোকান রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমি, প্লট, বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের তথ্য থাকার দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি থাকার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সম্পদের প্রকৃত মালিকানা আড়াল করতে আত্মীয়-স্বজন, ভাই এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবে নামে-বেনামে সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একজন সরকারি কর্মকর্তার বৈধ আয় ও ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে অভিযোগে উল্লিখিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন কর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করায় ফখরুল ইসলামের বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা উচিত।

অভিযোগগুলো নিয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো স্বাধীন সরকারি তদন্তের তথ্য প্রকাশ্যে না আসায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত ফখরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উৎস, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, জমি ও ফ্ল্যাটের দলিল এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগ খতিয়ে দেখা।

সরকারি কর্মকর্তার জ্ঞাত আয় ও সম্পদের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকলে তা আইনের আওতায় তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা সম্ভব বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কর কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

ফলে অভিযোগগুলো সম্পর্কে তার বিস্তারিত বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ সত্য হলে সম্পদের উৎস ও অর্জনের প্রক্রিয়া সামনে আসবে; আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এ কারণে ফখরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

সর্বাধিক পঠিত

দক্ষিণ কোরিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্ত ভেঙে ‘পালানো’, শিক্ষার্থী ও মায়ের বিরুদ্ধে যশোরে প্রতারণা মামলা

কর কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

আপডেট: ০৬:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা ও কর কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘ সরকারি চাকরিজীবনে কর প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে প্রভাব খাটিয়ে এবং অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা দৃশ্যমান সরকারি তদন্তের তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২২তম বিসিএস (কর) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। কর্মজীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলে সহকারী কর কমিশনার, উপ-কর কমিশনার, যুগ্ম কর কমিশনার ও অতিরিক্ত কর কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার পরিচয় ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে অবস্থানও পরিবর্তন করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি খুলনা কর আপিলাত ট্রাইব্যুনালে সদস্য (কর কমিশনার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বিভিন্ন কর ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তি, করদাতাদের বিশেষ সুবিধা প্রদান এবং হয়রানি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন ফখরুল ইসলাম।

অভিযোগকারীরা দাবি করেন, এসব অনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে তিনি ও তার ঘনিষ্ঠরা বিপুল অর্থ অর্জন করেছেন। পরে সেই অর্থ রাজধানী ঢাকা ও নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি, প্লট, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানের দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর মিরপুরের সেকশন-১২, ব্লক-বি, ২ নম্বর সড়কের ‘ডিসি সাহেবের বাড়ি’ নামে পরিচিত এলাকায় মূল্যবান জমির ওপর নির্মিত একাধিক ভবনে ফখরুল ইসলামের পরিবারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, হোল্ডিং নম্বর-২৫-এ অবস্থিত ‘শান্তির নীড়’ নামের ভবনে দুটি অভিজাত ফ্ল্যাট রয়েছে তার পরিবারের নামে এবং সেখানে তিনি বসবাস করেন। একই এলাকার হোল্ডিং নম্বর-১৫-এ অবস্থিত পাঁচতলা একটি ভবনেও তার বা পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মিরপুর ১২ নম্বর সি ব্লকের ৯ ও ১০ নম্বর সড়কে পরিবারের সদস্যদের নামে আরও দুটি বাড়ি রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, মিরপুরের বাইরে রাজধানীর ধানমন্ডি, গুলশান ও বনানীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফখরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি, ফ্ল্যাট, দোকান ও অন্যান্য স্থাবর সম্পদ রয়েছে।

এর মধ্যে গুলশান ডিসিসি মার্কেটে পরিবারের সদস্যদের নামে একটি বড় লাগেজের দোকান রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমি, প্লট, বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের তথ্য থাকার দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি থাকার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সম্পদের প্রকৃত মালিকানা আড়াল করতে আত্মীয়-স্বজন, ভাই এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবে নামে-বেনামে সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একজন সরকারি কর্মকর্তার বৈধ আয় ও ঘোষিত সম্পদের সঙ্গে অভিযোগে উল্লিখিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন কর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করায় ফখরুল ইসলামের বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা উচিত।

অভিযোগগুলো নিয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো স্বাধীন সরকারি তদন্তের তথ্য প্রকাশ্যে না আসায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত ফখরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উৎস, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, জমি ও ফ্ল্যাটের দলিল এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগ খতিয়ে দেখা।

সরকারি কর্মকর্তার জ্ঞাত আয় ও সম্পদের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকলে তা আইনের আওতায় তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা সম্ভব বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কর কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

ফলে অভিযোগগুলো সম্পর্কে তার বিস্তারিত বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ সত্য হলে সম্পদের উৎস ও অর্জনের প্রক্রিয়া সামনে আসবে; আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এ কারণে ফখরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।