০৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধারের টাকা পরিশোধ না করায় ইটভাটা ব্যবসায়ীকে ৪ বছরের কারাদণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪৮

 

যশোরে ধার নেওয়া টাকা নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করে প্রতারণার দায়ে ইটভাটা ব্যবসায়ী মুরাদ হোসেনকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুরাদ হোসেন যশোর সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, যশোর শহরতলীর চাঁচড়া এলাকার বাসিন্দা মাসুম মোড়লের সঙ্গে মুরাদ হোসেনের পূর্বপরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। ব্যবসায়িক সমস্যার কথা বলে মুরাদ আর্থিক সহযোগিতা চাইলে ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মাসুম মোড়ল নিজ বাড়িতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে নগদ ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ধার দেন।

টাকা গ্রহণের সময় মুরাদ হোসেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিনামা সম্পাদন করেন এবং নিজের ব্যাংক হিসাবের একটি চেক মাসুম মোড়লের কাছে প্রদান করেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি টাকা পরিশোধ করেননি। পরে ২০২২ সালের ২৭ জুন পাওনা টাকা চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে মাসুম মোড়ল ২০২২ সালের ২৮ জুন আদালতে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মুরাদ হোসেনকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে বিজিবি ক্যাম্পের সামনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, গুরুতর আহত ২

ধারের টাকা পরিশোধ না করায় ইটভাটা ব্যবসায়ীকে ৪ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট: ১১:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

 

যশোরে ধার নেওয়া টাকা নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করে প্রতারণার দায়ে ইটভাটা ব্যবসায়ী মুরাদ হোসেনকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুরাদ হোসেন যশোর সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, যশোর শহরতলীর চাঁচড়া এলাকার বাসিন্দা মাসুম মোড়লের সঙ্গে মুরাদ হোসেনের পূর্বপরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। ব্যবসায়িক সমস্যার কথা বলে মুরাদ আর্থিক সহযোগিতা চাইলে ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মাসুম মোড়ল নিজ বাড়িতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে নগদ ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ধার দেন।

টাকা গ্রহণের সময় মুরাদ হোসেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিনামা সম্পাদন করেন এবং নিজের ব্যাংক হিসাবের একটি চেক মাসুম মোড়লের কাছে প্রদান করেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি টাকা পরিশোধ করেননি। পরে ২০২২ সালের ২৭ জুন পাওনা টাকা চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে মাসুম মোড়ল ২০২২ সালের ২৮ জুন আদালতে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মুরাদ হোসেনকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।