দেশের সকল দোকান, বিপণিবিতান ও শপিং মল প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। সোমবার (৮ জুন) সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের খুচরা ব্যবসা খাত জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী, কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের জীবিকা জড়িত। শহর, মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য দোকান, মার্কেট ও শপিং মলকে কেন্দ্র করে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
সমিতির নেতারা জানান, বর্তমানে দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংক ঋণের কিস্তি, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপে রয়েছেন।
তারা আরও বলেন, অধিকাংশ ক্রেতা দিনের বেলায় কর্মব্যস্ত থাকেন। ফলে বিকেল ও সন্ধ্যার পর বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের কারণে দোকানপাট আগেভাগে বন্ধ হয়ে গেলে ব্যবসায়ীরা সম্ভাব্য বিক্রয় থেকে বঞ্চিত হন, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তাদের আয় ও ব্যবসার ওপর।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি মনে করে, প্রতিদিন দুপুর ১২টা অথবা সরকারের বিবেচনায় নির্ধারিত অন্য কোনো উপযুক্ত সময় থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান ও শপিং মল খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হলে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরে আসবে। একই সঙ্গে লাখো ব্যবসায়ী ও কর্মচারীর জীবিকা সুরক্ষিত হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও শক্তিশালী হবে।
সংগঠনটির দাবি, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে, সাধারণ মানুষ সুবিধাজনক সময়ে কেনাকাটার সুযোগ পাবেন এবং সামগ্রিকভাবে দেশের বাজারব্যবস্থা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।



















