০৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

মে মাসের প্রথম ৯ দিনে ১০২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স, বেড়েছে ১৯ শতাংশ

চলতি বছরের মে মাসের প্রথম ৯ দিনে দেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। এ সময়ে মোট ১০২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৬৩০ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে)।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আরিফ হোসেন খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার—এই তিন দিনে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

গত বছরের একই সময়ে (মে মাসের প্রথম ৯ দিন) রেমিট্যান্স ছিল ৮৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে তুলনায় চলতি বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৯ দশমিক ১০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে এসেছে প্রায় ৩ হাজার ৩৬ কোটি ২০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয়।

গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৪০ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

মে মাসের প্রথম ৯ দিনে ১০২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স, বেড়েছে ১৯ শতাংশ

আপডেট: ০২:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

চলতি বছরের মে মাসের প্রথম ৯ দিনে দেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। এ সময়ে মোট ১০২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৬৩০ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে)।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আরিফ হোসেন খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার—এই তিন দিনে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

গত বছরের একই সময়ে (মে মাসের প্রথম ৯ দিন) রেমিট্যান্স ছিল ৮৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে তুলনায় চলতি বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৯ দশমিক ১০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে এসেছে প্রায় ৩ হাজার ৩৬ কোটি ২০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয়।

গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৪০ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।