০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নিচ্ছে বিজেপি সরকার, পশ্চিমবঙ্গে ‘নতুন সূচনা’র বার্তা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:১৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ৫০৯

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে প্রতীকী গুরুত্বকে সামনে রেখে আগামী ৯ মে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর জন্মদিনে শপথ নিতে যাচ্ছে নবনির্বাচিত ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার। দলীয় সূত্র বলছে, দিনটিকে রাজ্যে একটি ‘নতুন সূচনা’র প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য-এর বরাতে NDTV জানিয়েছে, ওই দিনই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে নির্বাচনী প্রচারের শেষ সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সম্ভাব্য সময়সূচির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর আবার পশ্চিমবঙ্গে ফিরে এসে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

সোমবার ঘোষিত নির্বাচনের ফলাফলকে ‘ঐতিহাসিক রায়’ উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, বিজেপি এমন এক বাংলা গড়তে চায় “যেখানে মন থাকবে নির্ভয় এবং মাথা থাকবে উঁচু”—যা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর চেতনার প্রতিফলন।

এদিকে নির্বাচন-পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা কলকাতায় পৌঁছে আনুষ্ঠানিক গেজেট বিজ্ঞপ্তি হস্তান্তর করবেন। এরপর ৬ মে রাজ্যপালকে ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

সংবিধান অনুযায়ী, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হবে। তবে নতুন সরকার শপথ নেওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে অন্তর্বর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করা হতে পারে।

দীর্ঘ সাড়ে চার দশকের বাম ও তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপির সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক—দুই দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিজেপি একদিকে সাংস্কৃতিক আবেগকে স্পর্শ করতে চাইছে, অন্যদিকে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনাকে প্রতীকীভাবে শক্তিশালী করতে চায়। তবে বাস্তব চ্যালেঞ্জ হবে—এই প্রতীকী বার্তাকে কার্যকর শাসনে রূপ দেওয়া।

রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নিচ্ছে বিজেপি সরকার, পশ্চিমবঙ্গে ‘নতুন সূচনা’র বার্তা

রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নিচ্ছে বিজেপি সরকার, পশ্চিমবঙ্গে ‘নতুন সূচনা’র বার্তা

আপডেট: ০৭:১৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে প্রতীকী গুরুত্বকে সামনে রেখে আগামী ৯ মে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর জন্মদিনে শপথ নিতে যাচ্ছে নবনির্বাচিত ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার। দলীয় সূত্র বলছে, দিনটিকে রাজ্যে একটি ‘নতুন সূচনা’র প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য-এর বরাতে NDTV জানিয়েছে, ওই দিনই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে নির্বাচনী প্রচারের শেষ সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সম্ভাব্য সময়সূচির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পর আবার পশ্চিমবঙ্গে ফিরে এসে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

সোমবার ঘোষিত নির্বাচনের ফলাফলকে ‘ঐতিহাসিক রায়’ উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, বিজেপি এমন এক বাংলা গড়তে চায় “যেখানে মন থাকবে নির্ভয় এবং মাথা থাকবে উঁচু”—যা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর চেতনার প্রতিফলন।

এদিকে নির্বাচন-পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা কলকাতায় পৌঁছে আনুষ্ঠানিক গেজেট বিজ্ঞপ্তি হস্তান্তর করবেন। এরপর ৬ মে রাজ্যপালকে ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

সংবিধান অনুযায়ী, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হবে। তবে নতুন সরকার শপথ নেওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে অন্তর্বর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করা হতে পারে।

দীর্ঘ সাড়ে চার দশকের বাম ও তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপির সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক—দুই দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিজেপি একদিকে সাংস্কৃতিক আবেগকে স্পর্শ করতে চাইছে, অন্যদিকে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনাকে প্রতীকীভাবে শক্তিশালী করতে চায়। তবে বাস্তব চ্যালেঞ্জ হবে—এই প্রতীকী বার্তাকে কার্যকর শাসনে রূপ দেওয়া।