০৭:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

বাম্পার ফলনে শার্শায় বোরো ধান কাটার উৎসব, কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ৫০৯

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল ইউনিয়নে শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটার মৌসুম, আর সেই সঙ্গে বইছে উৎসবের আমেজ। চারদিকে তাকালেই চোখে পড়ে সোনালী ধানের সমারোহ—যেন প্রকৃতি নিজেই সাজিয়ে তুলেছে কৃষকের স্বপ্নের মাঠ।

মাঠে এখন চাষিদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। ভোর থেকে সন্ধ্যা, এমনকি অনেক সময় রাত পর্যন্ত চলছে ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজ। পরিবার-পরিজনসহ সবাই মিলে এই কর্মযজ্ঞে অংশ নিচ্ছেন। পরিশ্রম থাকলেও বাম্পার ফলনের আনন্দে ক্লান্তি যেন তুচ্ছ হয়ে গেছে।

বেনাপোল ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি গ্রামের কৃষক রাজু আহমেদ জানান, “এ বছর আবহাওয়া মাঝে মাঝে প্রতিকূল ছিল, কিন্তু আল্লাহর রহমতে ধানের ফলন খুবই ভালো হয়েছে। আর যদি আরও কয়েকদিন আবহাওয়া ভালো থাকে, তাহলে নিশ্চিন্তে সব ধান ঘরে তুলতে পারবো।”

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, শুধু ধান নয়—এ বছর অন্যান্য ফসলের ফলনও আশানুরূপ হয়েছে। ফলে তারা আগামীর দিনগুলো নিয়ে বেশ আশাবাদী। ভালো ফলন তাদের সংসারে স্বস্তি এনে দেবে এবং আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটাবে বলে মনে করছেন তারা।

ধান কাটার এই সময়টিকে কেন্দ্র করে গ্রামাঞ্চলে একধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কোথাও দলবেঁধে ধান কাটা, কোথাও বা চলছে হাসি-আনন্দে ভরা আড্ডা। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল ঘরে তোলার এই মুহূর্ত যেন কৃষকদের জন্য এক আনন্দের উপলক্ষ।

তবে সব আনন্দের মাঝেও কৃষকদের দৃষ্টি এখন আকাশের দিকে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি হঠাৎ করে আবহাওয়া খারাপ হয় বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়, তাহলে ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। তাই দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে, বাম্পার ফলনের এই মৌসুম শার্শার কৃষকদের জীবনে এনেছে স্বস্তি ও আশার বার্তা। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত তারা কতটা সফলভাবে এই সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারেন।

রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নিচ্ছে বিজেপি সরকার, পশ্চিমবঙ্গে ‘নতুন সূচনা’র বার্তা

বাম্পার ফলনে শার্শায় বোরো ধান কাটার উৎসব, কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি

আপডেট: ০২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল ইউনিয়নে শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটার মৌসুম, আর সেই সঙ্গে বইছে উৎসবের আমেজ। চারদিকে তাকালেই চোখে পড়ে সোনালী ধানের সমারোহ—যেন প্রকৃতি নিজেই সাজিয়ে তুলেছে কৃষকের স্বপ্নের মাঠ।

মাঠে এখন চাষিদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। ভোর থেকে সন্ধ্যা, এমনকি অনেক সময় রাত পর্যন্ত চলছে ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজ। পরিবার-পরিজনসহ সবাই মিলে এই কর্মযজ্ঞে অংশ নিচ্ছেন। পরিশ্রম থাকলেও বাম্পার ফলনের আনন্দে ক্লান্তি যেন তুচ্ছ হয়ে গেছে।

বেনাপোল ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি গ্রামের কৃষক রাজু আহমেদ জানান, “এ বছর আবহাওয়া মাঝে মাঝে প্রতিকূল ছিল, কিন্তু আল্লাহর রহমতে ধানের ফলন খুবই ভালো হয়েছে। আর যদি আরও কয়েকদিন আবহাওয়া ভালো থাকে, তাহলে নিশ্চিন্তে সব ধান ঘরে তুলতে পারবো।”

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, শুধু ধান নয়—এ বছর অন্যান্য ফসলের ফলনও আশানুরূপ হয়েছে। ফলে তারা আগামীর দিনগুলো নিয়ে বেশ আশাবাদী। ভালো ফলন তাদের সংসারে স্বস্তি এনে দেবে এবং আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটাবে বলে মনে করছেন তারা।

ধান কাটার এই সময়টিকে কেন্দ্র করে গ্রামাঞ্চলে একধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কোথাও দলবেঁধে ধান কাটা, কোথাও বা চলছে হাসি-আনন্দে ভরা আড্ডা। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল ঘরে তোলার এই মুহূর্ত যেন কৃষকদের জন্য এক আনন্দের উপলক্ষ।

তবে সব আনন্দের মাঝেও কৃষকদের দৃষ্টি এখন আকাশের দিকে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি হঠাৎ করে আবহাওয়া খারাপ হয় বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়, তাহলে ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। তাই দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে, বাম্পার ফলনের এই মৌসুম শার্শার কৃষকদের জীবনে এনেছে স্বস্তি ও আশার বার্তা। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত তারা কতটা সফলভাবে এই সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারেন।