যশোরে এক যুবককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর ও এটিএম কার্ড ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী রেজওয়ান কবির (২৫) বেনাপোলের গয়রা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা অভিযোগে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রেজওয়ান কবির যশোর শহরের জেলখানা বেলতলা মোড় থেকে পলিটেকনিক রোড হয়ে দড়াটানার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে ঘোপ জেলরোড কবরস্থান পাড়ার শাওন ইসলাম সবুজ, জেলরোড বউবাজার এলাকার জীবন, কবরস্থান পাড়ার আবির, বউবাজার এলাকার রকি, ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের ইমরুলসহ আরও ৩-৪ জন তার পথরোধ করে।
পরে তারা তাকে জোরপূর্বক একটি নির্জন ও অন্ধকার স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে গলায় ধারালো ছুরি ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, নগদ টাকা এবং এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।
এরপর অস্ত্রের মুখে কার্ডের পিন নম্বর জেনে নিয়ে একটি এটিএম বুথ থেকে চার দফায় মোট ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করে তারা। এছাড়া মানিব্যাগে থাকা সৌদি রিয়াল ও বাংলাদেশি প্রায় ২০ হাজার টাকাও নিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, সব মিলিয়ে তার প্রায় ৯০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ছেড়ে দেয়।
পরে আহত অবস্থায় তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই আল আমিন বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ধরনের ঘটনা শহর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে। বিশেষ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যাংকিং তথ্য ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনের ঘটনা সাইবার ও ফিজিক্যাল অপরাধের সমন্বিত ঝুঁকি নির্দেশ করে। দ্রুত তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারই ভুক্তভোগীর আস্থা ফেরানোর মূল চাবিকাঠি।




















