০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ইরান যুদ্ধ ও অনিশ্চয়তা: বিশ্ববাজারে আবারও ১০০ ডলার ছাড়াল অপরিশোধিত তেলের দাম

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩২

ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং পরস্পরবিরোধী তথ্যের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার বড় পতনের পর মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার সকালে এশীয় বাজারে লেনদেন শুরুর পর তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়:
* ব্রেন্ট ক্রুড: ৩.৭৫% বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৩.৬৯ ডলারে পৌঁছেছে।
* নাইমেক্স লাইট সুইট: ৩.৪২% বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ৯১.৫৫ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় তেলের বাজারে এই নাটকীয় পরিবর্তনের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে:
১. ট্রাম্পের সাময়িক বিরতি ও দরপতন: সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তেহরানের সঙ্গে আলোচনাকে তিনি “খুবই ইতিবাচক” বলে অভিহিত করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আশা তৈরি হয়। এর ফলে সোমবার তেলের দাম একদিনে ১০ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছিল।
২. তেহরানের অস্বীকার ও অনিশ্চয়তা: তবে তেলের দাম আবারও বাড়তে শুরু করে যখন ইরান সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসেনি। তেহরানের এই অনড় অবস্থান এবং আলোচনার খবর অস্বীকার করার ফলে বাজারে পুনরায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, সংঘাত নিরসনের পথ এখনো পরিষ্কার নয়।
সারসংক্ষেপ
বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ যে রুট (হরমুজ প্রণালি) দিয়ে যায়, সেখানে অস্থিরতা বজায় থাকায় তেলের বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি।

সর্বাধিক পঠিত

অসুস্থ নেতাকে দেখতে হাসপাতালে আতিকুজ্জামান সনি,

ইরান যুদ্ধ ও অনিশ্চয়তা: বিশ্ববাজারে আবারও ১০০ ডলার ছাড়াল অপরিশোধিত তেলের দাম

আপডেট: ১০:১০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং পরস্পরবিরোধী তথ্যের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার বড় পতনের পর মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার সকালে এশীয় বাজারে লেনদেন শুরুর পর তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়:
* ব্রেন্ট ক্রুড: ৩.৭৫% বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৩.৬৯ ডলারে পৌঁছেছে।
* নাইমেক্স লাইট সুইট: ৩.৪২% বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ৯১.৫৫ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় তেলের বাজারে এই নাটকীয় পরিবর্তনের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে:
১. ট্রাম্পের সাময়িক বিরতি ও দরপতন: সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তেহরানের সঙ্গে আলোচনাকে তিনি “খুবই ইতিবাচক” বলে অভিহিত করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আশা তৈরি হয়। এর ফলে সোমবার তেলের দাম একদিনে ১০ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছিল।
২. তেহরানের অস্বীকার ও অনিশ্চয়তা: তবে তেলের দাম আবারও বাড়তে শুরু করে যখন ইরান সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসেনি। তেহরানের এই অনড় অবস্থান এবং আলোচনার খবর অস্বীকার করার ফলে বাজারে পুনরায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, সংঘাত নিরসনের পথ এখনো পরিষ্কার নয়।
সারসংক্ষেপ
বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ যে রুট (হরমুজ প্রণালি) দিয়ে যায়, সেখানে অস্থিরতা বজায় থাকায় তেলের বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি।