০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চৌগাছায় গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনি: চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • ৬১১

যশোরের চৌগাছায় গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনির শিকার আলমগীর হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রবিবার (২২ মার্চ) সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত আলমগীর উপজেলার বড়গোবিন্দপুর গ্রামের এরশাদের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২১ মার্চ) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাসিলা গ্রামের লক্ষিপুর পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের ফজলুর রহমানের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে পালানোর চেষ্টা করছিলেন আলমগীর। এ সময় গরুর মালিকের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়।

খবর পেয়ে চৌগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত আলমগীরকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের ভাষ্য
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

চৌগাছায় গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনি: চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু

আপডেট: ০৬:১৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

যশোরের চৌগাছায় গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনির শিকার আলমগীর হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রবিবার (২২ মার্চ) সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত আলমগীর উপজেলার বড়গোবিন্দপুর গ্রামের এরশাদের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২১ মার্চ) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাসিলা গ্রামের লক্ষিপুর পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের ফজলুর রহমানের গোয়ালঘর থেকে গরু চুরি করে পালানোর চেষ্টা করছিলেন আলমগীর। এ সময় গরুর মালিকের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়।

খবর পেয়ে চৌগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত আলমগীরকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের ভাষ্য
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।