০৯:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শার্শায় আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের ২ সদস্য আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৬৩২

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাভারণ-সাতক্ষীরা মোড়ের ‘শফি মোটরস ওয়ার্কসপ’ থেকে তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটককৃতরা হলো— সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার মনিরুজ্জামান (৩৭) এবং বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামের রাকিব হোসেন (১৯)।

শার্শা থানার এসআই শেখ আল আমিনের নেতৃত্বে একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই মোটর গ্যারেজে অভিযান চালায়। পুলিশ জানায়, একটি ১৫০ সিসির ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ খোলার সময় দুই যুবককে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে:
* একটি চোরাই মোটরসাইকেল।
* বিভিন্ন জেলার ভুয়া নম্বর প্লেট।
* চুরির কাজে ব্যবহৃত মাস্টার চাবিসহ বিপুল সরঞ্জাম।
জিপিএস ট্র্যাকিংয়ে মালিক শনাক্ত
পরবর্তীতে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে মোটরসাইকেলটির প্রকৃত মালিক খুলনার সোনাডাঙ্গার এনায়েতুল ইসলামকে শনাক্ত করে পুলিশ। ভুক্তভোগী এনায়েতুল জানান, বাইকটি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে চুরি হয়েছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বাইক চুরি করে নাভারণের এই গ্যারেজে নিয়ে আসত। এখানে যন্ত্রাংশ আলাদা করে তারা বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করত। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের মূলহোতা শফিয়ার রহমান ও খলিল গাজী বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান:
> “আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে বুধবার (৪ মার্চ) যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
>

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

শার্শায় আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের ২ সদস্য আটক

আপডেট: ১১:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাভারণ-সাতক্ষীরা মোড়ের ‘শফি মোটরস ওয়ার্কসপ’ থেকে তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটককৃতরা হলো— সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার মনিরুজ্জামান (৩৭) এবং বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামের রাকিব হোসেন (১৯)।

শার্শা থানার এসআই শেখ আল আমিনের নেতৃত্বে একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই মোটর গ্যারেজে অভিযান চালায়। পুলিশ জানায়, একটি ১৫০ সিসির ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ খোলার সময় দুই যুবককে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে:
* একটি চোরাই মোটরসাইকেল।
* বিভিন্ন জেলার ভুয়া নম্বর প্লেট।
* চুরির কাজে ব্যবহৃত মাস্টার চাবিসহ বিপুল সরঞ্জাম।
জিপিএস ট্র্যাকিংয়ে মালিক শনাক্ত
পরবর্তীতে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে মোটরসাইকেলটির প্রকৃত মালিক খুলনার সোনাডাঙ্গার এনায়েতুল ইসলামকে শনাক্ত করে পুলিশ। ভুক্তভোগী এনায়েতুল জানান, বাইকটি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে চুরি হয়েছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বাইক চুরি করে নাভারণের এই গ্যারেজে নিয়ে আসত। এখানে যন্ত্রাংশ আলাদা করে তারা বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করত। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের মূলহোতা শফিয়ার রহমান ও খলিল গাজী বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান:
> “আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে বুধবার (৪ মার্চ) যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
>