০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীর অন্তরঙ্গ ছবি ছড়ানোর অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩৩:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৫

যশোরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত নূর আলম প্রকাশ বাবু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলার অন্য তিন আসামিকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।
তদন্ত শেষে যশোর কোতোয়ালি থানার চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মামুনুর রশিদ এই চার্জশিটটি আদালতে জমা দেন। অভিযুক্ত নূর আলম নোয়াখালীর বালিয়া ধর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।

মামলার বিবরণ ও পুলিশি তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে নূর আলমের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে নূর আলম ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। সে সময় কৌশলে ওই তরুণীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিজের ফোনে পাঠিয়ে নেন নূর আলম।

পরবর্তীতে নূর আলম সেই গোপন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই তরুণীকে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন অথবা দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগী তরুণী এই অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে নূর আলম সেই অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন।
আইনি প্রক্রিয়া ও পুলিশের পদক্ষেপ
সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার পর গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নূর আলমসহ তার পরিবারের মোট চারজনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান:
: নূর আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও নারী নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাকে অভিযুক্ত করে পৃথক চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
: মামলার অন্য তিন আসামি— নূর আলমের বাবা আবুল খায়ের, বোন নার্গিস আক্তার ডলি এবং ভাই নূর ইসলাম রবিনের বিরুদ্ধে অপরাধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন নেতানিয়াহু,

যশোরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীর অন্তরঙ্গ ছবি ছড়ানোর অভিযোগ

আপডেট: ১১:৩৩:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত নূর আলম প্রকাশ বাবু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলার অন্য তিন আসামিকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।
তদন্ত শেষে যশোর কোতোয়ালি থানার চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মামুনুর রশিদ এই চার্জশিটটি আদালতে জমা দেন। অভিযুক্ত নূর আলম নোয়াখালীর বালিয়া ধর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।

মামলার বিবরণ ও পুলিশি তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে নূর আলমের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে নূর আলম ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। সে সময় কৌশলে ওই তরুণীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিজের ফোনে পাঠিয়ে নেন নূর আলম।

পরবর্তীতে নূর আলম সেই গোপন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই তরুণীকে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেন অথবা দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগী তরুণী এই অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে নূর আলম সেই অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন।
আইনি প্রক্রিয়া ও পুলিশের পদক্ষেপ
সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার পর গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নূর আলমসহ তার পরিবারের মোট চারজনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান:
: নূর আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও নারী নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাকে অভিযুক্ত করে পৃথক চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
: মামলার অন্য তিন আসামি— নূর আলমের বাবা আবুল খায়ের, বোন নার্গিস আক্তার ডলি এবং ভাই নূর ইসলাম রবিনের বিরুদ্ধে অপরাধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।