০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর ও লুটপাট: ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩৪

যশোরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মনিরামপুর উপজেলার কোমলপুর বাজারের হার্ডওয়্যার ও মুদি ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমানকে মারধর এবং দোকান লুটের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর ভাতিজা (ভাইয়ের জামাই) রনি হাসান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলাটি করেন।
আদালতের বিচারক মাহবুবা শারমিন অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— কোমলপুর গ্রামের ইমরান হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, হাসানুর রহমান, শাহিনুর রহমান, ইব্রাহিম ফকির, মনোতোষ মোহন রায়, নাজমুল হোসেন, ইমরান হোসেন (পিতা: ফজলে করিম) ও রাজু।
:
মামলার আরজি সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী হাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে কোমলপুর বাজারে ব্যবসা শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ৬ মাস আগে থেকে স্থানীয় ইমরান হোসেন ও সিরাজুল ইসলাম তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা হাফিজুর রহমানের ওপর ক্ষিপ্ত হন।
গত বছরের ৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হাফিজুর রহমানের দোকানে চড়াও হন এবং পুনরায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এসময় হাফিজুর রহমান ও তার স্বজন রনি হাসান প্রতিবাদ করলে আসামিরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।
বাদী রনি হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, ওই সময় প্রাণ বাঁচাতে তিনি আসামিদের নগদ ২ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন। তবে টাকা পাওয়ার পরও আসামিরা শান্ত হননি; তারা দোকানের ক্যাশ বাক্স ভেঙে আরও ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যান।
:
ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, এলাকায় প্রভাবশালী মহলের চাপে তারা এতোদিন মামলা করতে বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ন্যায়বিচারের আশায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

যশোরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর ও লুটপাট: ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপডেট: ১১:২৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মনিরামপুর উপজেলার কোমলপুর বাজারের হার্ডওয়্যার ও মুদি ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমানকে মারধর এবং দোকান লুটের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর ভাতিজা (ভাইয়ের জামাই) রনি হাসান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলাটি করেন।
আদালতের বিচারক মাহবুবা শারমিন অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— কোমলপুর গ্রামের ইমরান হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, হাসানুর রহমান, শাহিনুর রহমান, ইব্রাহিম ফকির, মনোতোষ মোহন রায়, নাজমুল হোসেন, ইমরান হোসেন (পিতা: ফজলে করিম) ও রাজু।
:
মামলার আরজি সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী হাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে কোমলপুর বাজারে ব্যবসা শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ৬ মাস আগে থেকে স্থানীয় ইমরান হোসেন ও সিরাজুল ইসলাম তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা হাফিজুর রহমানের ওপর ক্ষিপ্ত হন।
গত বছরের ৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হাফিজুর রহমানের দোকানে চড়াও হন এবং পুনরায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এসময় হাফিজুর রহমান ও তার স্বজন রনি হাসান প্রতিবাদ করলে আসামিরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।
বাদী রনি হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, ওই সময় প্রাণ বাঁচাতে তিনি আসামিদের নগদ ২ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হন। তবে টাকা পাওয়ার পরও আসামিরা শান্ত হননি; তারা দোকানের ক্যাশ বাক্স ভেঙে আরও ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যান।
:
ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, এলাকায় প্রভাবশালী মহলের চাপে তারা এতোদিন মামলা করতে বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন। ন্যায়বিচারের আশায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।