০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিপ্লবের ৪৭ বছরে জনজোয়ার: শত্রুরা চরম হতাশ বলে মন্তব্য খামেনির

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৪২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দেশব্যাপী বিশাল গণসমাবেশে ইরানি জনগণের রেকর্ড উপস্থিতিকে ‘অনন্য ও মহান কাজ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য জাতিকে অভিনন্দন জানান।

আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, ১১ ফেব্রুয়ারির এই অভূতপূর্ব জনজোয়ার প্রমাণ করেছে যে, দেশের সাধারণ মানুষ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি এখনো অকুতোভয় সমর্থন বজায় রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন:
* এই বিশাল উপস্থিতি ইরানের শত্রুদের চরমভাবে হতাশ করেছে।
* যারা ইরানের আত্মসমর্পণের অপেক্ষায় ছিল, এই জনস্রোত তাদের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছে।
* এটি ইরানের জাতীয় শক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার এক অনন্য প্রতীক।
প্রতিকূলতা ও ঐক্যের জয়
এবারের বিপ্লব বার্ষিকী এমন এক সময়ে পালিত হলো যখন ইরান বেশ কিছু কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত জুন মাসে ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাত, তীব্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং গত জানুয়ারিতে বিদেশি মদতপুষ্ট বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার প্রেক্ষাপটে এবারের জনসমাগমকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
,
> “তুষারপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে কোটি কোটি মানুষের রাজপথে নেমে আসা প্রমাণ করেছে যে, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে ইরানি জাতি কোনো আপস করবে না।”

প্রেসটিভির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরানসহ সারা দেশের ১৪০০-এর বেশি শহর ও গ্রামে এবারের সমাবেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ ছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিপুল জমায়েত বিশ্ববাসীর কাছে ইরানি জনগণের চারিত্রিক দৃঢ়তা ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

বিপ্লবের ৪৭ বছরে জনজোয়ার: শত্রুরা চরম হতাশ বলে মন্তব্য খামেনির

আপডেট: ০৮:২৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দেশব্যাপী বিশাল গণসমাবেশে ইরানি জনগণের রেকর্ড উপস্থিতিকে ‘অনন্য ও মহান কাজ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য জাতিকে অভিনন্দন জানান।

আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, ১১ ফেব্রুয়ারির এই অভূতপূর্ব জনজোয়ার প্রমাণ করেছে যে, দেশের সাধারণ মানুষ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি এখনো অকুতোভয় সমর্থন বজায় রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন:
* এই বিশাল উপস্থিতি ইরানের শত্রুদের চরমভাবে হতাশ করেছে।
* যারা ইরানের আত্মসমর্পণের অপেক্ষায় ছিল, এই জনস্রোত তাদের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছে।
* এটি ইরানের জাতীয় শক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার এক অনন্য প্রতীক।
প্রতিকূলতা ও ঐক্যের জয়
এবারের বিপ্লব বার্ষিকী এমন এক সময়ে পালিত হলো যখন ইরান বেশ কিছু কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত জুন মাসে ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাত, তীব্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং গত জানুয়ারিতে বিদেশি মদতপুষ্ট বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার প্রেক্ষাপটে এবারের জনসমাগমকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
,
> “তুষারপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে কোটি কোটি মানুষের রাজপথে নেমে আসা প্রমাণ করেছে যে, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে ইরানি জাতি কোনো আপস করবে না।”

প্রেসটিভির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরানসহ সারা দেশের ১৪০০-এর বেশি শহর ও গ্রামে এবারের সমাবেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ ছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিপুল জমায়েত বিশ্ববাসীর কাছে ইরানি জনগণের চারিত্রিক দৃঢ়তা ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।