০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

হাদি হত্যাকাণ্ড তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা নিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৮

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দফতরের (OHCHR) সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

হাদি হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, “সরকার ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সুযোগ পাওয়া মাত্রই জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দফতরকে এই ঘটনার তদন্তে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দেওয়া হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার কেবল দেশীয় আইনি প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে এই মামলার তদন্তে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও নিরপেক্ষতাকে কাজে লাগাতে চায়।

শফিকুল আলম সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন:
: হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
: তদন্ত কার্যক্রম চলাকালীন জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলকে তথ্য, নথিপত্র এবং মাঠপর্যায়ে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত থাকবে।

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। এই মামলার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে দাবি ছিল, সরকারের এই পদক্ষেপ তাকে আরও বেগবান করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে ছাত্রশিবিরের বাছাইকৃত কর্মী সমাবেশ

হাদি হত্যাকাণ্ড তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা নিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার

আপডেট: ১০:০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দফতরের (OHCHR) সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

হাদি হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, “সরকার ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সুযোগ পাওয়া মাত্রই জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দফতরকে এই ঘটনার তদন্তে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দেওয়া হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার কেবল দেশীয় আইনি প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে এই মামলার তদন্তে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও নিরপেক্ষতাকে কাজে লাগাতে চায়।

শফিকুল আলম সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন:
: হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
: তদন্ত কার্যক্রম চলাকালীন জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলকে তথ্য, নথিপত্র এবং মাঠপর্যায়ে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত থাকবে।

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। এই মামলার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে দাবি ছিল, সরকারের এই পদক্ষেপ তাকে আরও বেগবান করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।