১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তারেক রহমানের যশোর সফর: ‘তারেক মামা’র অপেক্ষায় দিন গুনছে শিশু আফিয়া

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:২০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৩

এক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যার জীবনসংগ্রাম ছুঁয়ে গিয়েছিল হাজারো মানুষের হৃদয়, সেই ছোট্ট শিশু আফিয়া এখন প্রহর গুনছে এক পশলা আনন্দের। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যশোরে আসছেন—এমন খবরে উচ্ছ্বাসে ভাসছে যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের আফিয়া ও তার পরিবার। জন্মদাত্রী মায়ের কাছে সে কলিজার টুকরো হলেও, শ্বেতী রোগ নিয়ে জন্মানোর কারণে শৈশবেই বাবার অবহেলার শিকার হতে হয়েছিল তাকে। তবে সেই অন্ধকার সময়ে যার হাত ধরে তারা খুঁজে পেয়েছিল মাথা গোঁজার ঠাঁই, সেই ‘তারেক মামা’র সঙ্গে একবার দেখা করার স্বপ্নে বিভোর এখন আফিয়া।

আফিয়ার মা মনিরা বেগম জানান, আফিয়া জন্ম থেকেই শ্বেতবর্ণের হওয়ায় তার বাবা মোজাফ্ফর তাদের ফেলে বিদেশে চলে যান। চরম অসহায়ত্বের মধ্যে যখন থাকার জায়গা পর্যন্ত ছিল না, ঠিক তখনই ত্রাতা হিসেবে এগিয়ে আসেন তারেক রহমান। বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের মাধ্যমে তিনি আফিয়া ও তার মায়ের জন্য একটি স্থায়ী ঘর এবং আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করে দেন।
মনিরা বেগম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
> “বিপদের সময় যখন কেউ আমাদের পাশে ছিল না, তখন তারেক রহমান আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছিলেন। এই ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়। আফিয়া তাকে ভালোবেসে ‘তারেক মামা’ বলে ডাকে। আমাদের এখন একটাই চাওয়া, তিনি যশোরে এলে যেন একবার সামনাসামনি দেখা করতে পারি।”
যশোরে সাজ সাজ রব, আফিয়ার ঘরে অপেক্ষার প্রহর
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে যশোর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে যখন ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে, তখন আফিয়ার বাড়িতে বইছে আবেগের জোয়ার। ছোট্ট আফিয়া এখন প্রতিদিন অপেক্ষায় থাকে কখন তার ‘তারেক মামা’ আসবে। পরিবারের সদস্যদের একটাই আশা—ব্যস্ত সূচির মাঝেও তারেক রহমান যেন এই শিশুটির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেন।
যশোরের সাধারণ মানুষের কাছে আফিয়া এখন কেবল একটি শিশু নয়, বরং রাজনৈতিক সহমর্মিতার এক জীবন্ত প্রতীক। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আফিয়ার সেই ‘তারেক মামা’র সঙ্গে দেখার স্বপ্নটি বাস্তবে রূপ নেয় কি না।

সর্বাধিক পঠিত

ষড়যন্ত্রের শিকার অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: মধ্যরাতে বিতর্কিত স্টিকার সাঁটিয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা

তারেক রহমানের যশোর সফর: ‘তারেক মামা’র অপেক্ষায় দিন গুনছে শিশু আফিয়া

আপডেট: ০৪:২০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যার জীবনসংগ্রাম ছুঁয়ে গিয়েছিল হাজারো মানুষের হৃদয়, সেই ছোট্ট শিশু আফিয়া এখন প্রহর গুনছে এক পশলা আনন্দের। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যশোরে আসছেন—এমন খবরে উচ্ছ্বাসে ভাসছে যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের আফিয়া ও তার পরিবার। জন্মদাত্রী মায়ের কাছে সে কলিজার টুকরো হলেও, শ্বেতী রোগ নিয়ে জন্মানোর কারণে শৈশবেই বাবার অবহেলার শিকার হতে হয়েছিল তাকে। তবে সেই অন্ধকার সময়ে যার হাত ধরে তারা খুঁজে পেয়েছিল মাথা গোঁজার ঠাঁই, সেই ‘তারেক মামা’র সঙ্গে একবার দেখা করার স্বপ্নে বিভোর এখন আফিয়া।

আফিয়ার মা মনিরা বেগম জানান, আফিয়া জন্ম থেকেই শ্বেতবর্ণের হওয়ায় তার বাবা মোজাফ্ফর তাদের ফেলে বিদেশে চলে যান। চরম অসহায়ত্বের মধ্যে যখন থাকার জায়গা পর্যন্ত ছিল না, ঠিক তখনই ত্রাতা হিসেবে এগিয়ে আসেন তারেক রহমান। বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের মাধ্যমে তিনি আফিয়া ও তার মায়ের জন্য একটি স্থায়ী ঘর এবং আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করে দেন।
মনিরা বেগম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
> “বিপদের সময় যখন কেউ আমাদের পাশে ছিল না, তখন তারেক রহমান আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছিলেন। এই ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়। আফিয়া তাকে ভালোবেসে ‘তারেক মামা’ বলে ডাকে। আমাদের এখন একটাই চাওয়া, তিনি যশোরে এলে যেন একবার সামনাসামনি দেখা করতে পারি।”
যশোরে সাজ সাজ রব, আফিয়ার ঘরে অপেক্ষার প্রহর
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে যশোর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে যখন ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে, তখন আফিয়ার বাড়িতে বইছে আবেগের জোয়ার। ছোট্ট আফিয়া এখন প্রতিদিন অপেক্ষায় থাকে কখন তার ‘তারেক মামা’ আসবে। পরিবারের সদস্যদের একটাই আশা—ব্যস্ত সূচির মাঝেও তারেক রহমান যেন এই শিশুটির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেন।
যশোরের সাধারণ মানুষের কাছে আফিয়া এখন কেবল একটি শিশু নয়, বরং রাজনৈতিক সহমর্মিতার এক জীবন্ত প্রতীক। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আফিয়ার সেই ‘তারেক মামা’র সঙ্গে দেখার স্বপ্নটি বাস্তবে রূপ নেয় কি না।