০৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

লোহাগড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ৪ দোকান পুড়ে ১৩ লাখ টাকার ক্ষতি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৫১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫১১

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি হার্ডওয়্যার ও তিনটি ফার্নিচারের দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) ভোর রাত ৩টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রায় ১৩ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে বাজারের বকুল শেখের ‘সততা ফার্নিচার অ্যান্ড হার্ডওয়্যার’ দোকানে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের শিখা পাশের ফারুক বিশ্বাসের ‘একতা ফার্নিচার’ দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের নৈশপ্রহরী ও স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বালু ও পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান।
খবর পেয়ে লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার নিরলস চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বকুল শেখ জানান, তার একটি ফার্নিচার ও একটি হার্ডওয়্যারের দোকান পুড়ে যাওয়ায় প্রায় ১০ লাখ টাকার সমপরিমাণ মালামাল নষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে, একতা ফার্নিচারের মালিক ফারুক বিশ্বাস জানান, তার দুটি ফার্নিচার দোকান পুড়ে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে দুই ব্যবসায়ী এখন দিশেহারা।

লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার সোহাগউজ্জামান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে একটি হার্ডওয়্যার দোকান পুরোপুরি এবং তিনটি ফার্নিচার দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বাজারের অন্যান্য বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের রক্ষা পেয়েছে।”

লাহুড়িয়া বাজারের এই অগ্নিকাণ্ড আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, গ্রামীণ বাজারগুলোতে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। বৈদ্যুতিক তারের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং শর্টসার্কিট প্রতিরোধের আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের আজীবন সঞ্চয় এক নিমিষেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়মিত বাজারের বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করা এবং ব্যবসায়ীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়াতে সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা প্রয়োজন।

শার্শার শ্যামলাগাছী মোড়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় নারী

লোহাগড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ৪ দোকান পুড়ে ১৩ লাখ টাকার ক্ষতি

আপডেট: ০৫:৫১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি হার্ডওয়্যার ও তিনটি ফার্নিচারের দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) ভোর রাত ৩টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রায় ১৩ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে বাজারের বকুল শেখের ‘সততা ফার্নিচার অ্যান্ড হার্ডওয়্যার’ দোকানে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের শিখা পাশের ফারুক বিশ্বাসের ‘একতা ফার্নিচার’ দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের নৈশপ্রহরী ও স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বালু ও পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান।
খবর পেয়ে লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার নিরলস চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বকুল শেখ জানান, তার একটি ফার্নিচার ও একটি হার্ডওয়্যারের দোকান পুড়ে যাওয়ায় প্রায় ১০ লাখ টাকার সমপরিমাণ মালামাল নষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে, একতা ফার্নিচারের মালিক ফারুক বিশ্বাস জানান, তার দুটি ফার্নিচার দোকান পুড়ে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে দুই ব্যবসায়ী এখন দিশেহারা।

লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার সোহাগউজ্জামান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে একটি হার্ডওয়্যার দোকান পুরোপুরি এবং তিনটি ফার্নিচার দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বাজারের অন্যান্য বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের রক্ষা পেয়েছে।”

লাহুড়িয়া বাজারের এই অগ্নিকাণ্ড আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, গ্রামীণ বাজারগুলোতে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। বৈদ্যুতিক তারের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং শর্টসার্কিট প্রতিরোধের আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের আজীবন সঞ্চয় এক নিমিষেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়মিত বাজারের বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করা এবং ব্যবসায়ীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়াতে সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা প্রয়োজন।