০৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী ফেসবুক পোস্ট দেওয়ায় ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হয়েছেন এক ছাত্রদল নেতা ও তার পরিবার। উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের বাখরনগর গ্রামে বুধবার (৬ মে) রাতে দুই দফায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা গেছে, দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত উল্লাহ বুধবার দুপুরে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এলাকার মাদক কারবার ও এতে প্রভাবশালীদের মদদ দেওয়া নিয়ে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লেখেন, “কাক সাবান চুরি করার পর লুকানোর সময় চোখ বন্ধ করে থাকে… তেমনি কিছু নেতা রাতের আঁধারে অপকর্ম করেও মনে করে কেউ জানে না।” এই পোস্টের পরই স্থানীয় একটি চক্র তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফেসবুক পোস্টের জেরে বুধবার সন্ধ্যায় রহমত উল্লাহকে প্রথমে মারধর করা হয়। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে ফরহাদ, দুলাল ও শাহ আলম মোল্লাসহ ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রহমত উল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা রহমত উল্লাহ, তার বাবা মতিউর রহমান ও বড় ভাই রুহুল মিয়াকে কুপিয়ে ও টেঁটাবিদ্ধ করে গুরুতর জখম করে। হামলাকারীরা বাড়িঘরও ব্যাপক ভাঙচুর করে।

আহতদের মধ্যে রহমত উল্লাহ ও তার বাবা মতিউর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মো. ইয়াছিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
**ফরহাদ মিয়া** (স্থানীয় কৃষক দল নেতা)
**জাহাঙ্গীর মিয়া**
**আলমগীর**
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মো. ইয়াছিন জানান, “ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন টেঁটাবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় শান্তি রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”

এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ মাদকবিরোধী কথা বলে হামলার শিকার হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় দেড় হাজার

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী ফেসবুক পোস্ট দেওয়ায় ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা:

আপডেট: ১০:৫৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হয়েছেন এক ছাত্রদল নেতা ও তার পরিবার। উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের বাখরনগর গ্রামে বুধবার (৬ মে) রাতে দুই দফায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা গেছে, দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত উল্লাহ বুধবার দুপুরে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এলাকার মাদক কারবার ও এতে প্রভাবশালীদের মদদ দেওয়া নিয়ে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লেখেন, “কাক সাবান চুরি করার পর লুকানোর সময় চোখ বন্ধ করে থাকে… তেমনি কিছু নেতা রাতের আঁধারে অপকর্ম করেও মনে করে কেউ জানে না।” এই পোস্টের পরই স্থানীয় একটি চক্র তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফেসবুক পোস্টের জেরে বুধবার সন্ধ্যায় রহমত উল্লাহকে প্রথমে মারধর করা হয়। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে ফরহাদ, দুলাল ও শাহ আলম মোল্লাসহ ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রহমত উল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা রহমত উল্লাহ, তার বাবা মতিউর রহমান ও বড় ভাই রুহুল মিয়াকে কুপিয়ে ও টেঁটাবিদ্ধ করে গুরুতর জখম করে। হামলাকারীরা বাড়িঘরও ব্যাপক ভাঙচুর করে।

আহতদের মধ্যে রহমত উল্লাহ ও তার বাবা মতিউর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মো. ইয়াছিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
**ফরহাদ মিয়া** (স্থানীয় কৃষক দল নেতা)
**জাহাঙ্গীর মিয়া**
**আলমগীর**
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মো. ইয়াছিন জানান, “ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন টেঁটাবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় শান্তি রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”

এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ মাদকবিরোধী কথা বলে হামলার শিকার হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।