০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে মেয়ের হাতে মা খুন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৯৯

যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের সাহাপাড়া এলাকায় এক বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের মেয়ের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ এই ঘটনায় অভিযুক্ত মেয়েকে আটক করেছে।
গৌরী অধিকারী (৭৫)**। তিনি ওই এলাকার মৃত কালীপদ অধিকারীর স্ত্রী। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে গৌরী অধিকারী ও তার মেয়ে দীপ্তি অধিকারী বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ বাড়ি থেকে আর্তচিৎকার শুনতে পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় গৌরী অধিকারীকে পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মেয়ে **দীপ্তি অধিকারীকে (৪০)** আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানায়:
অভিযুক্ত দীপ্তি অধিকারী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।
তুচ্ছ কোনো পারিবারিক বিষয়ে তর্কের জেরে দীপ্তি উত্তেজিত হয়ে তার মায়ের ওপর হামলা চালাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সংবাদমাধ্যমকে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন:
> “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি। প্রাথমিকভাবে মেয়েটির মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি সামনে এলেও অন্য কোনো কারণ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পৌর শহরের জনবহুল এলাকায় এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীরা এই ঘটনায় স্তম্ভিত এবং তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি বিচার দাবি করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

যশোরের কেশবপুরে মেয়ের হাতে মা খুন

আপডেট: ০৩:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের সাহাপাড়া এলাকায় এক বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের মেয়ের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ এই ঘটনায় অভিযুক্ত মেয়েকে আটক করেছে।
গৌরী অধিকারী (৭৫)**। তিনি ওই এলাকার মৃত কালীপদ অধিকারীর স্ত্রী। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে গৌরী অধিকারী ও তার মেয়ে দীপ্তি অধিকারী বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ বাড়ি থেকে আর্তচিৎকার শুনতে পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় গৌরী অধিকারীকে পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মেয়ে **দীপ্তি অধিকারীকে (৪০)** আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানায়:
অভিযুক্ত দীপ্তি অধিকারী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।
তুচ্ছ কোনো পারিবারিক বিষয়ে তর্কের জেরে দীপ্তি উত্তেজিত হয়ে তার মায়ের ওপর হামলা চালাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সংবাদমাধ্যমকে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন:
> “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি। প্রাথমিকভাবে মেয়েটির মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি সামনে এলেও অন্য কোনো কারণ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পৌর শহরের জনবহুল এলাকায় এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীরা এই ঘটনায় স্তম্ভিত এবং তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি বিচার দাবি করেছেন।