১২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ইবিতে শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪০

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া): কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নিজ কক্ষে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, আসমা সাদিয়া রুনাকে গুরুতর আহত করার পর একই কক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান ওই ছুরি দিয়েই নিজের গলায় আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষ থেকে হঠাৎ চিৎকার শুনে তারা ছুটে যান। সেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় শিক্ষিকা ও কর্মচারীকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সংবাদ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে।
উভয়কে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হোসেন ঈমাম জানান:
> “জরুরি বিভাগে আনার সময়ও ওই শিক্ষক জীবিত ছিলেন। তবে ওয়ার্ডে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করার কয়েক মিনিটের মাথায় তিনি মারা যান। তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।”
>

গুরুতর আহত কর্মচারী ফজলুর রহমান বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।

সর্বাধিক পঠিত

আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা

ইবিতে শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা,

আপডেট: ০৯:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া): কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নিজ কক্ষে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, আসমা সাদিয়া রুনাকে গুরুতর আহত করার পর একই কক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান ওই ছুরি দিয়েই নিজের গলায় আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষ থেকে হঠাৎ চিৎকার শুনে তারা ছুটে যান। সেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় শিক্ষিকা ও কর্মচারীকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সংবাদ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে।
উভয়কে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হোসেন ঈমাম জানান:
> “জরুরি বিভাগে আনার সময়ও ওই শিক্ষক জীবিত ছিলেন। তবে ওয়ার্ডে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করার কয়েক মিনিটের মাথায় তিনি মারা যান। তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।”
>

গুরুতর আহত কর্মচারী ফজলুর রহমান বর্তমানে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।